সোনাগাজী প্রতিনিধি->>

সোনাগাজীতে স্বামীর সাথে পরকীয়া সন্দেহে শাহানা আক্তার শান্তা (২৮) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টার মামলায় আরেকে গৃহবধূ রোকেয়া বেগম খালেদাকে (৩০) গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। শনিবার রাতে চরখোয়াজ গ্রাম থেকে খালেদাকে গ্রেপ্তার করে রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত গৃহবধূ রোকেয়া বেগম খালেদা সদর ইউনিয়নের চরখোয়াজ গ্রামের খায়েজ আহমদের বাড়ির প্রবাসী মো. নুর নবীর স্ত্রী।

আহত গৃহবধূ শাহানা আক্তার শান্তা একই বাড়ির প্রবাসী দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী। সে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, নুরনবীর স্ত্রী রোকেয়া বেগম একই বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী শাহানা আক্তার শান্তাকে তাঁর স্বামীর সাথে পরকীয়া রয়েছে বলে সন্দেহ করে আসছে। একই সাথে শান্তা খালেদার শাশুড়ির সাথে সখ্যতা করে বিভিন্ন কান কথা বলে তাঁর সাথে পারিবারিক বিরোধ লাগিয়ে দেন। এ নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবৎ শান্তাকে কুপিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করে খালেদা। পরনের শাড়িতে রক্তের দাগ পড়ার আশঙ্কা করে খালেদা দুপুর ১২টার দিকে গোসল করে পরনের শাড়ি ভিজিয়ে নেন। পানিতে ভেজা শাড়ি পরে পূর্বপরিকল্পনা মোতাবেক একটি ধারালো দা দিয়ে খালেদা উপর্যুপুরি কুপিয়ে শান্তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়।

স্থানীয়রা শান্তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় আহত গৃহবধূ শান্তার ভাই আরাফাত হোসেন আজমির বাদী হয়ে থানায মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় রোকেয়া বেগম খালেদাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

Sharing is caring!