শহর প্রতিনিধি->>

ফেনী জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার বিচার ও সুষ্ঠু সাংস্কৃতিক বিকাশের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে লড়াকু একঝাঁক সাংস্কৃতিক কর্মীরা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট গঠন করে। এ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সারা বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে হবে। বাঙ্গালি জাতির ইতিহাস-সংস্কৃতি ও জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সুষ্ঠু সংস্কৃতির ধারা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

রোববার বিকেলে ফেনীর রাজাঝির দিঘীর পাড়স্থ নবীনচন্দ্র সেন কালচার সেন্টারে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ফেনী জেলা শাখার আয়োজনে ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি ফেনীর সাংস্কৃতিক কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি শহীদ জহির রায়হান মিলনায়তন পুনঃনির্মাণ প্রসঙ্গে বলেন, এ ন্যায্য দাবির পক্ষে তিনিও একমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, এ দাবি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ফেনী জেলা শাখার সভাপতি শান্তি চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ড. মঞ্জুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মাকসুদুর রহমান, সদর উপজেলা পরিষদের নবনির্বচিত চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সজল চন্দ্র দাশ, রজত বিশ্বাস, জেলা কালচারাল অফিসার জান্নাত আরা যুঁথী, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক সমর দেবনাথ।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ফেনী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রাজুর সার্বিক তত্ত¡াবধানে সাংগঠনিক সম্পাদক পৃথ্বীরাজ চক্রবর্তী ও এম এফ রহমান মিলন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা পর্বে অংশ নেন- কবি ইকবাল চৌধুরী, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু, বলপয়েন্টের সভাপতি কবি ইকবাল আলম, সেলিম আল দীন চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি অ্যাডভোকেট রাশেদ মাযহার, সংগীত শিক্ষার্থী সম্মিলন পরিচালক অজয় দাশ, রবীন্দ্র সাংস্কৃতিক কেন্দ্র সমন্বয়ক অরূপ দত্ত প্রমুখ। এসময় কবি, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ফেনী জেলা শাখার কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেক কাটা হয় ও এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। শুরুতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

Sharing is caring!