স্পোর্টস ডেস্ক->>

ঘোষিত ফাইনালে প্রতিযোগিতা করেই হেরেছে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব, আবাহনীর কাছে ম্যাচ হেরেছে ৮ রানে। আগে ব্যাট করে নাজমুল শান্তর ৪৫ রানে ১৫০ রান বোর্ডে তোলে আবাহনী, জবাবে প্রাইম ব্যাংকের ইনিংস শেষ ১৪২ রানে। ব্যাটে একুশের পর বল হাতে ৩৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন সাইফুদ্দিন।

সকালের বৃষ্টির পর মিরপুরের আকাশ হেসেছে, রোদ ঝলমলে মিরপুরে ঠিক সময়মতোই শুরু হয়েছে আবাহনী-প্রাইম ব্যাংক ম্যাচ। হাস্যোজ্জ্বল আকাশের নিচে হাসেনি আবাহনী ওপেনার নাঈম শেখের ব্যাট, ম্যাচের প্রথম বলেই অপ্রস্তুত শট খেলে কট বিহাইন্ড হয়ে ফিরেছেন নাঈম। প্রথম পাওয়ারপ্লেতেই আবাহনীর ৩ ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়েছে ব্যাংকের বোলাররা। ৬ ওভারে বলার মতো রান শুধু লিটনের, ওর উনিশে পাওয়ারপ্লে শেষে আবাহনীর রান ৩ উইকেটে ৩৬।

পাওয়ারপ্লের পর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আর নাজমুল হোসেন শান্তর জুটিতে কক্ষপথে ফেরে আবাহনী। তাদের ৭০ রানের জুটিতে ১০০ পার করে আবাহনীর রান; শান্ত-সৈকত উইকেটে থাকার সময় আবাহনী বড় রানের দিকের আগালেও এদের আউট হওয়ার পর ভাটা পড়ে রান তোলার গতিতে। শেষ দিকে সাইফুদ্দিনের ১৩ বলে ২১ রানের ইনিংসে পুরোপুরি দেড়শো রানের সংগ্রহ পায় আবাহনী লিমিটেড।

১৫১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে প্রাইম ব্যাংকের শুরুটাও হয় আবাহনীর মতোই। পাওয়ারপ্লের শেষে ব্যাংক তুলতে পারে ২ উইকেটে ৩৬ রান। তবে টানা তৃতীয় দিনের মতো আজকেও প্রাইম ব্যংকের টপ ও মিডল অর্ডার হয়েছে ব্যর্থ। রনি তালুকদারের ০, এনামুল বিজয়ের ১৩, রকিবুলের ৪ আর মোহাম্মদ মিঠুনের ৬ রানে পাঁচ উইকেটে ছেষট্টির দলে পরিণত হয় প্রাইম ব্যাংক। ৪০ ওভারের খেলায় ৩০ ওভার শেষে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এক হাত দিয়েই রাখে আবাহনী। আবাহনী আর প্রাইম ব্যংকের মধ্যে একমাত্র পার্থ্যক্য হয়ে উইকেটে তখনো ছিলেন ব্যাংকের ওপেনার রুবেল মিয়া।

শেষ ৫ ওভারে ১১ করে লাগতো প্রাইম ব্যাংকের; রুবেল মিয়া আর নাইম হাসান বলের সাথে পাল্লা দিয়ে ওভারপ্রতি ১১ করে আর তুলতে পারেননি, উলটো দলের রান ১০০ হওয়ার আগেই আউট হয়ে ফিরে যান রুবেল মিয়া। রুবেল-নাইম না পারলেও শেষদিকে অলক কাপালির ১৭ বলে ৩৪ কাঁপন ধরিয়েছিল আবাহনীর বুকে। শেষ ওভারে ১৬ রানের প্রয়োজনে সাত রান তুলে ১৫১’র ৯ রান আগেই থেমে যায় প্রাইম ব্যাংকের ইনিংস; ৮ রানের জয় পায় আকাশি-নীলের আবাহনী।

শিরোপার লড়াইয়ে মূল যুদ্ধ টা হবে প্রাইম ব্যাংকের বোলিংয়ের সাথে আবাহনীর ব্যাটিংয়ের তা অনুমেয়ই ছিল। ব্যাট বলের লড়াইয়ে প্রাইম ব্যাংকের বোলাররা আবাহনীকে আটকে দিলেও এদিনও বাজে ব্যাটিং করে ম্যাচ হেরেছে প্রাইম ব্যাংক।

Sharing is caring!