পরশুরাম প্রতিনিধি->>

পরশুরামে উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান শিশু গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে পরশুরাম উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাজনীনসহ দুজনকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের ধনীকুন্ডা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় মামলাবাজ আলিচানের অভিযোগের ভিত্তিতে পরশুরাম থানার পুলিশ সাদা পোশাকে শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে পরশুরাম উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান শিশুকে আটক করতে শিশু মিয়ার বাড়ীতে যায়। এসময় শিশুর স্ত্রী পরশুরাম উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য নাজনীন আক্তার তাঁদের পরিচয় জানতে চাইলে পুলিশ সদস্যরা নাজনীন মেম্বার এবং মহিলা আওয়ামী লীগকর্মী ফাতেমা আক্তার কে ধাক্কা মেরে এবং পিটিয়ে আহত করে এবং শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্বার করে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

জানা যায় শিশু মিয়ার সাথে স্থানীয় আলিচানের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে বৃহস্পতিবার ঝগড়া হয়। আলিচানের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কৃষকলীগের নেতাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাজনীন আক্তার সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে সহ তার এক সহকর্মী উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সদস্য ফাতেমাকে পিটিয়ে গুরতর আহত করে এবং ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়।

উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নাজনীন সহ দুজনকে লাঞ্চিত করা, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান শিশু গ্রেপ্তার ও কারাগারে প্রেরণের বিষয়ে পরশুরাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত হোসেন এর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ফেনী জেলা আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি এনামুল করিম মজুমদার বাদল জানান, একজন মামলাবাজকে খুশি করতে তুচ্ছ ঘটনার অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদককে পুলিশ আটক করতে গেলে পুলিশ তাঁর স্ত্রীকে লাঞ্চিত করে এবং গুরতর আহত করে।

Sharing is caring!