ঢাকা অফিস->>

২০১৭ সালে অভিষেকের পর দেশের হয়ে ২২ ওয়ানডে ও ১৫ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। সব শেষ গত বছরের মার্চে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন। তারপর করোনার কারণে দেশে সব ধরনের খেলা স্থগিত হয়ে যায়। এর মধ্যে দুই দফা ইনজুরিতে পড়েন তরুণ এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার। সব শেষ বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে রাজশাহীর হয়ে মাঠে নামার আগেই ইনজুরি পড়েন। যদিও শেষ দিকে পুরোপুরি ফিট না হয়ে দলের হয়ে বল হাতে তুলে নেন। এরপর আবারো আগের চোটে সমস্যায় ভুগতে থাকেন। অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রাথমিক দলে জায়গা পেয়েছেন।

অনুশীলন শুরু করেছেন পুরোদমে। নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে গতকাল জাতীয় দলের অনুশীলনের তৃতীয় দিন ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, তিনি এখন চিন্তামুক্ত।

সাইফুদ্দিন বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো, খুব চিন্তিত ছিলাম সিরিজের আগে রিকভারি করে উঠতে পারবো কি না। বায়েজিদ ভাই (ট্রেনার) অনেক সাহায্য করেছে। শাওন ভাই (ফিজিও) উনিও অনেক সাহায্য করেছেন। উনাদের নির্দেশনা অনুযায়ী শেষ কয়দিন হার্ড অ্যান্ড সোল ট্রাই করেছি, ওভার অল ভালো আছি এখন।’

সবকিছু ঠিক থাকলে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ওয়ানডের চূড়ান্ত স্কোয়াডে থাকবেন তরুণ পেস অলরাউন্ডার সাইফুদ্দিন। শুধু তাই নয় করোনাকালের বন্দি জীবন থেকে মুক্তি মিলেছে। তারচেয়ে আনন্দের আর কি হতে পারে!

তিনি বলেন, ‘অনেক খুশির বিষয়, প্রকাশ করার মত না। ঘর বন্দী ছিলাম, এর মধ্যে ঘরোয়া আসরে খেললাম। আসলে জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা সবসময় গর্বের বিষয়। আর সবচেয়ে বড় কথা আমাদের মাঝে এক বছর পর সাকিব ভাই ফিরে এসেছে এ কারণে ভালো লাগাটা অন্যরকম। আর যেহেতু এটা হোম সিরিজ তাই বাড়তি উদ্দীপনা জোগাচ্ছে আমাদের।’

এছাড়াও অনুশীলনে ফিরে আত্মবিশ্বাসীও এই পেসার। তিনি বলেন,‘আলহামদুলিল্লাহ শেষ তিনদিন হাই ইন্টেন্সি নিয়ে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং অনুশীলন করলাম। আর শেষ দুই টুর্নামেন্ট বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ও বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে আমাদের পেসাররা অনেক ভালো করেছে। দলে সুযোগ পাওয়া কিংবা সেরা একাদশে জায়গা করে নেয়া নিয়ে পেসারদের মধ্যে দারুণ লড়াই হবে। এজন্য নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করতেছি বাকিটা আল্লাহর হাতে। সবমিলিয়ে সেশনগুলো খুব উপভোগ করছি। সামনে আরো অনুশীলনের সুযোগ পাবো। তাছাড়া আমাদের দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও আছে।’

Sharing is caring!