ঢাকা অফিস->>

ধর্ষণ মামলায় কারাগারে বিয়ে করে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন ফেনীর জহিরুল ইসলাম ওরফে জিয়া উদ্দিন। আদালত তাকে এক বছরের জামিন দিয়েছে।

সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে এক বছরের জামিন দেয়।

আদালতে জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

জিয়া ফেনীর সোনাগাজীর ৮ নম্বর চরদরবেশ ইউনিয়নের দক্ষিণ পশ্চিম চর দরবেশ গ্রামের বাসিন্দা। আদালতের নির্দেশে ১৯ নভেম্বর ফেনীর কারাগারে তার সঙ্গে বিয়ে হয় ধর্ষণের অভিযোগ করা নারীর।

স্থানীয়রা জানান, গত ২৭ মে ভোরে একই ঘরে অবস্থান করায় জিয়া ও অভিযোগকারী মেয়েটিকে আটক করা হয়। এলাকাবাসী দুজনকে বিয়ে দিতে চাইলে জিয়া ও তার বাবা আবু সুফিয়ান মেম্বার রাজি হননি। মেয়েটি সোনাগাজী থানায় ধর্ষণের মামলা করলে পুলিশ ওই দিনই গ্রেফতার করে জিয়াকে।


বিচারিক আদালতে ব্যর্থ হয়ে জামিনের জন্য হাইকোর্টে যান জিয়ার আইনজীবীরা। গত ১ নভেম্বর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ আদেশ দেয়, জিয়া ওই মেয়েকে বিয়ে করলে জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।

আসামিপক্ষ এতে রাজি হলে বিয়ের আয়োজনের দায়িত্ব দেয়া হয় ফেনী জেলা কারা কর্তৃপক্ষকে। ১৯ নভেম্বর ফেনী কারাগারে জেল সুপারের কার্যালয়ে ৬ লাখ টাকা দেনমোহরে কাজী আবদুর রহিম ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী জিয়া ও ধর্ষণের শিকার তরুণীর বিয়ে পড়ান।

কারাগারে বিয়ে করা ফেনীর সোনাগাজীর জহিরুল ইসলাম জিয়াকে জামিন দিলেন হাইকোর্ট। তিনি ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্তি পেতে কারাগারেই ভুক্তভোগীকে বিয়ে করেন। আজ সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী।

Sharing is caring!