ক্রিড়া প্রতিবেদক->>

বাফুফে নির্বাচনে হেরে গেলেও দেশের ফুটবল অঙ্গণে থাকবেন। নিজ জায়গা থেকে জেলা ও তৃণমূল ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করতে বাফুফের পদ প্রয়োজন হয় না। সেজন্য পরিকল্পনা করছেন বলে সময় সংবাদকে জানালেন বাফুফের সাবেক সহ-সভাপতি তাবিথ আউয়াল। নির্বাচনে হারলেও কাউন্সিলরদের রায়ে শ্রদ্ধা তার। তবে, দেশের ফুটবল উন্নয়নে দর্শকদের মাঠ মুখি করতে ভূমিকা রাখতে হবে বাফুফেকে।

একজন ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে পথচলা শুরু করেছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ না হলেও, থামেনি যাত্রা। ২০১২ ও ২০১৬ সালে দুই দফা দেশের ফুটবলের অভিভাবক সংস্থার সহ-সভাপতি হয়েছিলেন। সাফল্যের সাথে টেকনিক্যাল কমিটির দায়িত্ব পালন করলেও, সদ্য শেষ হওয়া বাফুফে নির্বাচনে তৃতীয় দফা হেরে যান। মাত্র ৪ ভোটের ব্যবধানে হেরে বিদায় নিলেন বাফুফে সহ-সভাপতি পদ থেকে।

বাফুফে সাথে আর সম্পৃক্ত না থাকলেও দেশের ফুটবল অঙ্গণ থেকে বিদায় নিচ্ছেন না। নিজের ফুটবল ক্লাব নোফেলকে নতুন করে ঢেলে সাজাবেন তাবিথ। কাজ করবেন জেলা ও তৃণমূলের ফুটবল নিয়ে। ভালো কাজ করতে নাকি বাফুফের পদে থাকা জরুরি না।

তাবিথ আওয়াল বলেন, ‘ফুটবল জীবনে আমি ছোটবেলা থেকেই আছি। তো সেখানে ফুটবলের বাইরে থাকার কোন অবকাশ নেই। তবে বর্তমানে আমি ফেডারেশনে পদের বাইরে আছি। তার মানে এই না যে আমার ক্লাব ফুটবল থেমে যাচ্ছে। জেলার ফুটবল গুলো হয়না, ক্লাবের ফুটবল হয়না তো সেসব জায়গায় সহযোগিতা করার জন্য তো আমাকে ফেডারেশন লাগছে না।’

কাউন্সিলদের রায় খুশি মনে মেনে নিয়েছেন। পুন:রায় নির্বাচিত সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন মহি কিংবা সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, যেই ডাকুক। দেশের ফুটবলের স্বার্থে সাড়া দেবেন তাবিথ।

তাবিথ বলেন, ‘ফেডারেশন যদি মনে করে কোন স্কিলস এ আমার সহযোগিতা লাগবে তাহলে আমি অবশ্যই ভলেন্টিয়ার হিসাবে আমার সময় ও মেধা দিতে রাজি আছি।’

তার সময়ে দেশে ‘এ’ লাইসেন্সধারী কোচ বেড়েছিল উল্ল্যেখযোগ্য হারে। বিদেশী অনেক কোচ এসেছিলেন তার সূত্র ধরে। তবে একটা জায়গায় উন্নতি করতে চেয়েছিলেন তাবিথ। দেশের ফুটবলে দর্শক সংখ্যা বাড়াতে না পারলে নাকি উন্নয়ন সম্ভব না। কিন্তু বর্তমান কমিটি তা পারবে কিনা এ নিয়ে তাবিথের আছে সন্দেহ।

তিনি বলেন, ‘দর্শক না বাড়লে পুরা খেলার আসল মূল্যায়নটা ফেডারেশন পাবে না। আগামী চার বছরেও ফ্যান বেজটা বর্তমান ফেডারেশন দিয়ে করা যাবে কিনা।’

আপতত কিছু দিন নিভৃতে বসে নিজের ভবিষ্যত পরিকল্পনায় গুছিয়ে পুন:রায় মাঠে নামবেন বলে জানালেন তাবিথ আউয়াল।

Sharing is caring!