শহর প্রতিনিধি->>

ফেনীতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দীকাকে (রা.) নিয়ে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখায় মিঠুন দে ওরফে পিকলু নীলের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ফেনী তৌহিদী জনতা। রোববার সকালে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে সমাবেশ প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী জেলা নাস্তিক্যবাদ বিরোধী কমিটির আহবায়ক মাওলানা একরামুল হক ভূইয়া।

প্রিন্সিপাল মাওলানা নুরুল করিমের সভাপতিত্বে ও নাস্তিক্যবাদ বিরোধী কমিটির সদস্য সচিব মূফতি আব্দুর রহমান ফরহাদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম ভূইয়া, মাওলানা নাছির উদ্দীন, মাওলানা আব্দুর ওয়াদুদ, আলা উদ্দিন সাবেরী, কবির আহমেদ পাটোয়ারী, এইচ এম মোজাম্মেল হক ফারুক প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা একরামুল হক ভূইয়া বলেন, পিকলুকে ছাড়ানোর জন্য ইতিমধ্যে মুসলিম নামধারী কিছু ব্যক্তি অপচেষ্টা চালাচ্ছে। যদি কোনো কারনে পিকলুর শাস্তি না দেয়া হয় তাহলে ফেনীতে হরতালসহ আদালত অভিমুখে লংমার্চ এর মতো কঠিন কর্মসূচী নিতে বাধ্য হবো।

প্রসঙ্গত, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দীকাকে (রা.) নিয়ে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখায় মিঠুন দে ওরফে পিকলু নীল (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে শহরের থানা এলাকা থেকে পিকলু নীলকে জিঙ্গাসাবাদের জন্য পুলিশ আটক করে। পরে ধর্মীয় উস্কানির অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের হলে শুক্রবার ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। পুলিশ ওই দিন আদালতে পিকলুর ৭দিন রিমান্ড চাইলে আদালত রোববার দিন ধার্য্য করেছিলো। তবে রিমান্ড শুনানীর তারিখ রবিবার থাকলেও একদিন পিছিয়ে সোমবার রিমান্ড শুনানীর দিন ধার্য্য করে আদালত।

পিকলু নীল শহরের নাজির রোড এলাকার কালি প্রসাদ দে ওরফে বাচ্চু দে’র ছেলে। সে একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক ও প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করে।

Sharing is caring!