দাগনভূঞা প্রতিনিধি->>

দাগনভূঞায় পানি শোধনাগার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। সোমবার সকালে কাজের করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সভাপতি দিদারুল কবির রতন। দেশের ৩২ পৌরসভার পানি শোধনাগার প্রকল্পের আওতায় এ কাজটি দাগনভূঞা পৌরসভায়ও নির্মিত হচ্ছে।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর মেয়র ওমর ফারুক খান। পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর একরামুল হক একরামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. হারুন উর রশিদ হাওলাদার, বিটিভির জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক অজেয় বাংলা সম্পাদক শওকত মাহমুদ, কাউন্সিলর নুরুল হুদা সেলিম, মো. ফারুক, জিয়াউল হক জিয়া, আবদুল কুদ্দুছ মিজান, সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার আবদুল জলিল আদর প্রমুখ।

জানাযায়, পৌরসভা ও পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড সংলগ্ন রামানন্দপুরে ৪৭ দশমিক ৫০ শতক জায়গার ওপর নির্মিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে পাঁচ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পৌরসভা সূত্র জানায়, ৩২ পৌরসভার পানি শোধনাগার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে অবকাঠামো নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হলেও জমি ক্রয়ে কোনো বরাদ্দ ধরা হয়নি। পানি শোধনাগারের জন্য ৫০ শতক এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের জন্য ৩০০ শতক জমি প্রকল্পভূক্ত পৌরসভাগুলোয় নিজস্ব তহবিল থেকে ক্রয় করতে বলা হয়। এদিকে দাগনভূঞা পৌরসভার নিজস্ব কোনো জমি না থাকা এবং জমি কেনার জন্য তহবিলও না থাকায় প্রকল্পটি ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়। পরবর্তীতে পৌরসভার মেয়র ওমর ফারুক খান নিজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে এই প্রকল্পের জন্য ৩৫০ শতক জমি কিনে দেন। জমি পাওয়ার পরই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়।

মেয়র ওমর ফারুক খান জানান, পৌরসভার বেশিরভাগ এলাকার পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আয়রন ও আর্সেনিক। এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে পৌরবাসীর জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পটিও এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেলে পৌরসভার যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তূপ এবং এর থেকে সৃষ্ট দুর্গন্ধের দুর্ভোগ থেকে মানুষ রেহাই পাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও স্থানীয় কর্তাব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।