পরশুরাম প্রতিনিধি->>

পরশুরামে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে সেবা পেয়েছে প্রায় ৫ শতাধিক রোগী। শুক্রবার (২২ জুলাই) সকালে লায়ন্স ক্লাব চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনের সহযোগীতায় আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম কলেজ মিলনায়তন হল রুমে ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক প্রটোকল অফিসার ও সালেহ উদ্দিন হোসনে আরা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম।

মরহুম সালেহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এ চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ প্রশাসক খায়রুল বাশার মজুমদার তপন, পরশুরাম উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মজুমদার, ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম মজুমদার, লায়ন্স জেলা ২য় ভাইস গর্ভনর কহিনুর কামাল।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ইয়াছিন শরিফ মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডা. জাহানারা আরজু, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন লায়ন্স ক্লাব প্রেসিডেন্ট লায়ন নাছির উদ্দিন চৌধুরী, লায়ন্স জেলা চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দ, পরশুরামের বিভিন্ন ইউনিয়ের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য সহ রাজনৈতিক ব্যক্তি।

আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম বলেন, বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে এমন আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। মানুষের সেবার জন্য এমন আয়োজন প্রতিবছর করতে চাই। এসময় তিনি সুদুর চট্টগ্রাম থেকে এসে পরশুরামের মানুষদের চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসার জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন লায়ন্স ক্লাবকে ধন্যবাদ জানান।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন লায়ন্স ক্লাব প্রেসিডেন্ট লায়ন নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, লায়ন্স ক্লাব প্রত্যন্ত এলাকায় ক্যাম্পের মাধ্যমে চোখের চিকিৎসা দিয়ে থাকে। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মানুষের উপকারে কাজ করা এলাকাবাসীর জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। তিনি আরও বলেন, চোখের চিকিৎসায় অবহেলা করা যাবে না। যেকোনো সময় লায়ন্স ক্লাবের চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র সবসময় উন্মুক্ত থাকবে।

লায়ন্স ক্লাবের ফার্স্ট ভাইস জেলা গভর্নর এমডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, নাসিম ভাইয়ের বাবার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এমন আয়োজন প্রশংসনীয়। শুধুমাত্র মেজবান করে মানুষকে দাওয়াত দিলে হয় না। নাসিম সাহেব বাবার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দুস্থ মানুষদের চক্ষু চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে যার মাধ্যমে অনেকেই উপকৃত হবে।

সালেহ উদ্দিন হোসনে আরা চৌধুরী ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী পাপ্পু বলেন, ক্যাম্পের আগেই ৪০০ জন রেজিস্ট্রেশন করেছে, যার মধ্যে ৩৩২ জন চিকিৎসা সেবা নিয়েছে। রেজিস্ট্রেশনের বাইরে এখনও রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে এসেছে। আসছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল ৮ শতাধিক মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া। যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের মধ্যে থেকে যাদের অপারেশন প্রয়োজন হবে ফাউন্ডেশন কর্তৃক সব খরচ দিয়ে চট্টগ্রাম লায়ন্স ক্লাবের হাসপাতালে পাঠানো হবে।