শহর প্রতিনিধি->>

ফেনীতে বিয়ের প্রলোভনে একজন মাদ্রাসা ছাত্রীকে (১৫) বন্ধুর বাসায় নিয়ে জোর করে ধর্ষণের অভিযোগে মো. নুরুন নবী (২২) এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার মধ্যরাতে ছাগলনাইয়া উপজেলার পাঠান নগর ইউনিয়নের মধ্যম শিলুয়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. নুরুন নবী ছাগলনাইয়া উপজেলার পাঠান নগর ইউনিয়নের মধ্যম শিলুয়া গ্রামের আবদুল হালিমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া মাদরাসা ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে মো. নুরুন নবী। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীকে নানা কৌশলে বিয়ের প্রস্তাবে ফুসলিয়ে তাদের বাড়ি থেকে বের করে ফেনী শহরের পাঠানবাড়ি সড়কে একটি বহুতল ভবনের ৭ম তলায় বন্ধুর বাসায় নিয়ে যায় নুরুন নবী। সেখানে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে ছাত্রীটি ওই বাসা থেকে বের হয়ে তার বাড়ি যেয়ে বাবা-মায়ের ধর্ষণের কথা (বিয়ের প্রলোভন) জানায়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ফেনী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

পুলিশ আরও জানায়, মামলা দায়েরর পর মঙ্গলবার মধ্যরাতে ছাগলনাইয়া উপজেলার পাঠান নগর ইউনিয়নের মধ্যম শিলুয়া গ্রাম থেকে মো. নুরুন নবীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার (১৫ জুন) বিকেলে ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ফাতেমা তুজ জোহরার আদালতে আসামি নুরুন নবীকে তোলা হলে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। পর তাকে জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন জানান, ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ফাতেমা তুজ জোহরার আদালতে ভিকটিম মাদ্রাসা ছাত্রী ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। পরে তাকে বাবা-মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এর আগে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ওই ছাত্রীর শারিরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।