শহর প্রতিনিধি->>

ফেনীতে ফের পিছিয়ে আগামী ১৫ জুন থেকে ৫ দিন ব্যাপী সারা দেশে ভিটামিন “এ” প্লাস ক্যাম্পেইন পালন করা হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গত বুধবার সকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন করে ফেনীতে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. রফিক-উস ছালেহীন।

জেলা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার অফিসার ডা. তাহসিন নূর অমির সঞ্চালনায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য অফিসার রেজাউল রাব্বী মনির।

জেলা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার অফিসার ডা. তাহসিন নূর অমি বলেন, আগামী ১২ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সারা জেলায় ৬ থেকে ৫৯ মাস সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ১৫ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

জেলা তথ্য অফিসার রেজাউল রাব্বী মনির বলেন, ফেনী জেলায় ১১৪২ টি স্থায়ী, অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমান কেন্দ্র থেকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। বাস স্ট্যান্ড, রেলস্টেশন ইত্যাদি স্থানে ভ্রাম্যমাণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সকল শিশুদের খাওয়ানো নিশ্চিত করতে এগুলো খোলা থাকবে।

সিভিল সার্জন ডা. রফিক-উস ছালেহীন বলেন, ভিটামিন “এ” প্লাস এর অভাবে চোখের উপর অনেক ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। এর মধ্যে রাতকানা, কনজাংটিভার শুস্কতা, বিটট স্পট, কর্নিয়ার শুষ্কতা, কর্নিয়ার ক্ষত, কর্নিয়ার স্থানীয় দাগ, চোখের দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণ রূপে লোপ পাওয়া।

তিনি আরও বলেন, ভিটামিন “এ” প্লাস মূলত একটি অনুপুষ্টি। অনুপুষ্টি উপাদানসমূহ আমাদের অতি সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন, কিন্তু এগুলো এতই গুরুত্বপূর্ণ যে নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্রহণ করা না হলে একজন মানুষ অসুস্থ অথবা শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধী হতে পারে।

সংবাদ সম্মেলন চিকিৎসক, গণমাধ্যমকর্মী, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও সেবাদানকারীবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।