নিজস্ব প্রতিনিধি->>

দেশের মাধ্যমিক শিক্ষায় বড় ধরনের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। সহকারী প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষিকা এবং সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মিলিয়ে ২৩৩ জন শিক্ষককে পদোন্নতি দিয়ে প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষিকা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা করা হয়েছে। যার মধ্যে প্রধান শিক্ষক হলেন দুই শতাধিকের অধিক।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এই পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার ফেনী থেকে পদোন্নতি পেয়ে ফেনী সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হলেন ফেরদৌস আর বেগম (২০১৬৭০৫৭০০)। তিনি এতদিন সহকারী প্রধান শিক্ষক (মুলপদ) থেকে সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার ফেনীর দায়িত্ব পালন করছিলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে পদোন্নতি দিয়ে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তার ১০০ নং সিরিয়ালে ফেরদৌস আর বেগম এর নাম রয়েছে।

পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষক ও কর্মকর্তারা এখন জাতীয় বেতন স্কেলের ষষ্ঠ গ্রেডে উন্নীত হলেন। এত দিন তাঁরা নবম গ্রেডে ছিলেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা এর আগে জানিয়েছিলেন, পদোন্নতিযোগ্য ৪২৩ শিক্ষকের তথ্য মাউশি থেকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। তবে অনেকের চাকরিজীবনে সমস্যা ও বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদনে (এসিআর) সমস্যা থাকায় ডিপিসি সভায় অনেকেই পদোন্নতিযোগ্য হতে পারেননি।

পুরোনো ও নতুন মিলিয়ে সারা দেশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে পৌনে সাত শর মতো। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এখন ৬৬২টি। এর মধ্যে পুরনো সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩৪৮টি। বাকি ৩১৪টি বিদ্যালয় ২০১০ সালের পর জাতীয়করণ হয়। পদোন্নতির জটিলতার কারণে পুরোনো বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অনেকগুলো ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছিল। অসম্প্রতি এ অচলাবস্থা দূর করতে বিশেষ উদ্যোগ নেয় সরকার। নতুন পদোন্নতির ফলে এই জটিলতা কমে যাবে।