কাজী হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে->>

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কোর্টের বিচারক (জজ) পদে নিয়োগ পেলেন ফেনীর কৃতি সন্তান নুসরাত চৌধুরী (৪৪)। বাংলাদেশী বংশোদ্ভূতদের মধ্যে একমাত্র প্রথম নারী বিচারক হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন তিনি। নুসরাতের নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউ.এস সিনেট মেজরিটি লিডার সিনেটর চাক সুমারের অফিস। নুসরাত নিউইয়র্ক স্টেট এর ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল জজ বিচারক পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি ১৯৯৮ সালে কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে ইতিহাস বিষয়ে আন্ডার গ্রাজুয়েট ডিগ্রী অর্জন করেন। ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত ইয়েল স্কুল থেকে আইন বিষয়ে কৃতিত্বের সহিত পাস করেন। তিনি ইয়েল রাজ্যের আমেরিকান লিবার্টি ইউনিয়নের এটনী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সিভিল লিবার্টি ইউনিয়নের ন্যাশনাল অফিসে বর্ণ-বিচার বিষয়ক প্রোগ্রামের ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি মানবাধিকার, নাগরিক স্বাধীনতা ও অধিকার বিষয়ে তার প্রচুর সফলতা রয়েছে। নাগরিক অধিকার সংস্থার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত এটর্নীদের মধ্যে অন্যতম হলেন এ নুসরাত চৌধুরী।

নুসরাত চৌধুরীর বাবার বাড়ি ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাগডুবি চৌধুরী বাড়িতে। তার বাবা আমেরিকায় নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মরহুম ডাক্তার নুরুর রহমান চৌধুরী। তার জ্যাঠা মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত সোনালী ব্যাংকের সাবেক এজিএম ও মানব কল্যাণ সংস্থা ঢাকার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজিবুর রহমান চৌধুরী ওরফে পেয়ারা মিয়া।

তার এ নিয়োগে আমেরিকান প্রবাসী দাগনভূঞাবাসীর দের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। তার উত্তরোত্তর সফলতা অভিনন্দন জানিয়েছেন বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সাবেক সভাপতি আবদুর রব মিয়া, দাগনভূঞা সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল এমএ হোসেন, সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার, দাগনভূঞা প্রবাসী ফোরামের নিউইয়র্ক এর সভাপতি শামীম মাহমুদ, দাগনভূঞা সমাজকল্যাণ পরিষদ আমেরিকার সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, কমিউনিটি লিডার রফিক বাহা, বাংলাদেশ কাজী সমিতির কেন্দ্রীয় মহাসচিব ও নিউইয়র্ক সিটির ম্যারেজ রেজিস্ট্রার কাজী মোহাম্মদ হোসাইন।

Sharing is caring!