সোনাগাজী প্রতিনিধি->>

ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনের সাংসদ মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও সাবেক সাংসদ হাজী রহিম উল্যাহ এর নাম ভাঙ্গিয়ে সদর ইউনিয়নের থাক খোয়াজের লামছি ও চর খোন্দকার মোজায় ভুমি দখল ও মৎস্য প্রকল্প নির্মাণ করেন সোনাগাজী উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম ওরফে চুল্লা সিরাজ।

দখলের অভিযোগ পেয়ে সোনাগাজী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি জাকির হোসেন সোমবার দিনব্যাপী সোনাগাজীর মুহুরী প্রজেক্ট সংলগ্ন ফেনী নদী ও শাখা খাল দখল, বাঁধ দিয়ে ভূমি দখলের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। এসময় ৮ ঘন্টাব্যাপী চলা অভিযানে নদীর বাঁধ ভেঙে দিয়ে প্রায় ৪৬ একর সরকারি খাস জমি উদ্ধার করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। ভ্রাম্যমাণ আদালত এসময় দখলদারকারী সিরাজুল ইসলামকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনাকালে দুটি মাটি কাটার এক্সেভেটর মেশিন জব্দ করে। এক্সেভেটর মেশিনের দু’জন ড্রাইভারকে প্রশাসনের জিম্মায় নেওয়া হয়।

অভিযুক্ত জাপা নেতা সিরাজুল ইসলাম সিরাজ তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ‘আমি কোন ভূমি দখল করিনি। বরণ ভ্রাম্যমাণ আদালত আমার ভাড়ায় চালিত স্কাভেটর মেশিন আটক ও জরিমানা করেছে।’

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় পুলিশ, আনসার উপজেলা ভূমি অফিস, পৌর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, সোনাগাজী উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বিভিন্ন জায়গায় দলীয় প্রভাব বিস্তার করে ও স্থানীয় এমপি মাসুদ চৌধুরী এবং সাবেক এমপি হাজী রহিম উল্যাহ এর নাম ভাঙ্গিয়ে সোনাগাজীর সাহাব উদ্দিন মেম্বার, নিজাম উদ্দিন, সোহেল চাকলাদার, অপু চৌধুরী, মামুন হাজী সহ বিভিন্ন জনের ইজারাকৃত ও সরকারি খাস জমি জবরদখল করে মৎস্য প্রকল্প নির্মাণ করেন। ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন সহ বিভিন্ন কর্মসূচির সংবাদ স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

Sharing is caring!