আদালত প্রতিবেদক->>

ফেনীর বারাহিপুরে ফেইসবুকে লাইভে এসে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার জেলা ও দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে বাদী সাহাবুদ্দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সিনিয়র জুডিসিয়ল ম্যাজিস্ট্রেট ধ্রুবজ্যোতি পালের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হাফেজ আহাম্মদ জানান, ফেনী পৌরসভার উত্তর বারাহীপুর ভূঁইয়া বাড়িতে ফেসবুক লাইভে এসে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত গৃহবধূর বাবা বাদী সাহাবউদ্দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। বৃহস্পহিবার দ্বিতীয় দিন সিনিয়র জুডিসিয়ল ম্যাজিস্ট্রেট ধ্রুবজ্যোতি পালের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। তার আদালতে আসামীর ১৬৪ ধারা জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। সাহাবুদ্দিন বাদী হয়ে বিগত বছরের ১৬ এপ্রিল ওবায়দুল হক টুটুলকে আসামী করে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুদ্দিনকে।

এসআই সাইফুদ্দিন বদলী হওয়ায় মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই এমরান হোসেনকে। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই এমরান হোসেন গত বছরের ১৬ নভেম্বর ওবায়দুল হক টুটুলকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট প্রদান করে। আদালত একই বছরের ডিসেম্বর মাসে চার্জ গঠন করে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল শহরের উত্তর বারাহীপুর ভূঞা বাড়িতে দাম্পত্য কলহের জের ধরে ফেইসবুক লাইভে এসে স্ত্রী তাহমিনা আক্তারকে হত্যা করে টুটুল। পরে হত্যাকারী টুটুল নিজেই ৯৯৯ এ খবর দিয়ে পুলিশকে জানায়। ফেনী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে টুটুলকে গ্রেফতার করে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা ও ফেসবুকে প্রচার চালানো মোবাইল জব্দ করে।

Sharing is caring!