আদালত প্রতিবেদক->>

ফেনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী মো. সফি উল্যাহ (৬০) হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। জেলা ও দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে বুধবার শেষ স্বাক্ষী হিসেবে ফেনী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা বাহার উদ্দিন বাহার সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ মামলায় ১৮ জন স্বাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের সফি উল্যাহ দীর্ঘদিন ফেনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলো। শহরের বারাহীপুর গাজীক্রস রোডের হাসান আলী ভূঁঞা বাড়ির পাশে হক ম্যানশন ভাড়া থাকতো সফি উল্যাহ। ২০১৯ সালের ২৯ মে বৃহস্পতিবার রাতে তার ঘর থেকে সফিউল্যাহর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন দেড় ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১ লাখ টাকা লুট করে আসামীরা। এ ঘটনায় তার ছেলে আবদুল মোতালেব বাদি হয়ে অজ্ঞাত আসামী করে ফেনী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
ওই মামলায় গ্রেপ্তার রাব্বি, রনি ও সাকিব হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তৌহিদুল হক ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট জাকির হোসাইন এর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলো। চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হাবিবুর রহমান চৌধুরী নৈশপ্রহরী মো. সফি উল্যাহ হত্যা অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হাফেজ আহম্মদ জানান, অভিযোগপত্রে শিশু আদালতে অপর তিন আসামী ও জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এক আসামী সোহেলকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত ৩০ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন করেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছা। গত ১৩ অক্টোবর মামলার বাদি আবদুল মোতালেবের মাধ্রমে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। বুধবার শেষ স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে মামলার সব সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আদালত আগামী ১০ ডিসেম্বর পরবর্তী তারিখ ধার্য্য করেছেন।

Sharing is caring!