সদর প্রতিনিধি->>

ফেনীর কাজিরবাগের রুহিতিয়ায় সালমান হোসেন শিপন হত্যায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত একাধিক আসামীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছে নিহত শিপনের মা সেলিনা আক্তার। এ ঘটনায় সুমি ও তার বাবা হাশেম আটক রয়েছে পুলিশ।

নিহতের নানা আবুল কাশেম জানান, আসামীদের মধ্যে রয়েছে তার প্রেমিকা সুমি, সুমির বাবা হাশেম ও মা রোকেয়া বেগম।অন্য আসামীরা হল নিহতের বন্ধু তৌহিদ, সজিব, আসিফ ও আবদুল কাদের। শিপনের মরদেহ প্রেমিকা সুমিদের রুহিতিয়া পাটোয়ারী বাড়ির পাশ থেকে উদ্ধার করেছিলো পুলিশ।

নিহতের মা সেলিনা আক্তার বলেন, যে গেঞ্জি পরা অবস্থায় শিপনের মরদেহ পাওয়া গেছে, সেটি তার জামা নয়। তিনি বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় ঘর হতে বের হওয়ার সময় তার গায়ে এরকম জামা ছিল না।

নানা আবুল কাশেম আরো বলেন, মামলার অন্যতম আসামী ও সুমির অপর প্রেমিক কাদের তাকে ফোন দিয়ে বলে, পাটোয়ারী বাড়ির বাথরুমের সামনে একটি অজ্ঞাত লাশ পড়ে আছে। লাশ উদ্ধারের সময় সে নিজে ঘটনাস্থলে থাকলেও ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার পর উধাও হয়ে যায়। তিনি বলেন, সুমির সাথে শিপন কথা বলতো, তার সাথে বিয়ের কথাবার্তা চলছিল। তিনি অভিযোগ করেন, কাদেরের সাথেও মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

ফেনী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, মামলার আসামী সুমি ও তার বাবা হাশেম গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া অপর আসামীদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। অপরদিকে মরদেহের ময়নাতদন্তে শেষে দাফনের জন্য লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত রোববার সকালে পূর্ব রুহিতিয়া গ্রামের হাজী বাড়ির শহিদুল ইসলাম মনু মিয়ার ছেলে সালমান হোসেন শিপনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শিপন ঢাকায় স্যানিটারি মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করত। গত শুক্রবার সে বাড়িতে আসে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার দু’হাতের রগ কাটা ছিল, এছাড়া বাম চোখও উপড়ানো ছিল। তার পুরুষাঙ্গেও আঘাতের চিহ্ন ছিলো বলে পুলিশ জানিয়েছে।

Sharing is caring!