নিজস্ব প্রতিবেদক->>

এসিড নিক্ষেপের বিরুদ্ধে আমরা সংগ্রাম করেছি। ঝলসে যাওয়া মুখ নিয়ে নারীর নিদারুণ মানসিক ও শারিরীক যন্ত্রণা সর্বস্তরের মানুষকে কাঁদিয়েছে। আমাদের সংগ্রামের ফলে অর্জিত হয়েছে এসিড নিক্ষেপের সর্বোচ্চ বিচার ফাঁসি। প্রধানমন্ত্রী ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোরতর হয়েছেন। এক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নির্ধারিত হয়েছে। আশা করছি এসিড নিক্ষেপের মত ধর্ষণও বন্ধ হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ধর্ষণ ও এর প্রতিকার প্রসঙ্গে ‘কর্মজীবি নারী’ সংগঠনের ব্যানারে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনাকালে ফেনী-১ আসনের সাংসদ ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এ কথা বলেন।

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শিরীন আখতার দেশজুড়ে ধর্ষণ ও নির্যাতন প্রসঙ্গে বলেন, ধর্ষকরা বেঁচে থাকে দুর্নীতিবাজ, লুটেরাদের ছত্রচ্ছায়ায়। ১৯৯৫ সালে আলোচিত ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যার বিচারে সেসময়ের সরকার অনীহা দেশের মানুষের বিবেক জাগ্রত করেছিল। ফলে জেগে ওঠে জনতা। পরবর্তী সরকার এসে তিনজনের ফাঁসি নিশ্চিত করেছিল এ হত্যাকান্ডের ঘটনায়। ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি হবে মৃত্যুদন্ড।

শিরিন আখতার জানান, নারীর সমঅধিকার ও মর্যাদা আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালে কর্মজীবি নারী সংগঠনের পথ চলা। নারীর প্রতি সকলের বৈষম্য বিলোপের লক্ষ্যে সংগঠনটি কাজ করছে অবিরত।

মতবিনিময় সভায় ফেনীতে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় অর্ধশতাধিক সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Sharing is caring!