ঢাকা অফিস->>

ফেনী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত আজিজ আহমেদ চৌধুরীর ছোট ভাই আমির আহমেদ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ‘লাইফ সাপোর্টে’ নেওয়া হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর বুধবার বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা নিয়ে তাকে ল্যাব এইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ১০ অক্টোবর শনিবার শ্যামলী বাংলাদেশ বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

তার ভাতিজা ও ফেনী জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) চৌধুরী আহমেদ রিয়াদ আজিজ রাজীব চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানান, তার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ঠিকভাবে কাজ করছেনা। মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।পরিবারের পক্ষ হতে রতন চৌধুরীর জন্য সকলের দোয়া কামনা করা হয়েছে।

আমির আহমেদ চৌধুরীর জন্ম ফেনীর ফুলগাজীর আনন্দপুর ইউয়িননের হাসানপুর চৌধুরী বাড়িতে। তবে জন্ম ফেনী হলেও তার পড়াশুনা, বেড়ে উঠা সব ময়মনসিংহ ঘিরেই। ময়মনসিংহবাসীর কাছে তিনি ‘রতন স্যার’ কিংব ‘রতন দা’ হিসেবে পরিচিত। মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, শিক্ষা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠক ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।

তিনি বর্তমানে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন রতন চৌধুরী। ময়মনসিংহের শিক্ষা, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াঙ্গনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি অবদান রেখেছেন।

এর প্রায় মাসখানেক আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তার বড় ভাই ফেনীর বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজ আহমেদ চৌধুরী। সেসময় ফেনীতে এসে কিছুদিন অবস্থান করেছিলেন আমির আহমেদ চৌধুরী। অংশ নিয়েছিলেন বড় ভাইয়ের শোক, স্মরণ সভাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে।

এর আগে ২০১৩ সালের ১৯ এপ্রিল মারা যান তাদের ছোট ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল আমীন আহমেদ চৌধুরী বীর বিক্রম। চার ভাইয়ের মধ্যে আজিজ আহমেদ চৌধুরী ছিলেন পরিবারের সবার বড়, আমির আহমেদ চৌধুরী দ্বিতীয়, আমিন আহমেদ চৌধুরী তৃতীয় ও আনিস আহমেদ চৌধুরী ৪র্থ সন্তান।

Sharing is caring!