লাইফস্টাইল ডেস্ক->>

তেল কমানোর অধিক চেষ্টাও ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা ছোট খাটো নানান ভুলের কারণে ত্বককে আরও বেশি তৈলাক্ত করে ফেলতে পারেন।

রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ত্বকে অতিরিক্ত তৈলাক্ত হয়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে জানানো হল।

অতিরিক্ত মুখ ধোয়া: তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীদের মুখ ধোয়াতে সচেতন হতে হবে। কারণ বার বার মুখ ধোয়া ত্বককে আরও বেশি তৈলাক্ত করে ফেলে। প্রয়োজন ছাড়া মুখ ধোয়া ত্বকের তেল নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত মুখ ধোয়া পরে ত্বকের গুরুতর ক্ষতি করতে পারে।

আর্দ্রতার অভাব: শরীর আর্দ্র না থাকলে তা মস্তিষ্কের তেল গ্রন্থিতে সংবেদন পাঠায় আর্দ্রতার ভারসাম্য রক্ষা করতে। তেল নিঃসরণ গ্রন্থি আর্দ্রতার ভারসাম্য রক্ষা করতে ত্বকে তেলের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে তা চিটচিটে হয়ে যায়।

ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করা: যদি ভেবে থাকেন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করে ত্বক তৈলাক্ত হবে না তাহলে ভুল করছেন। কোনোভাবেই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার বাদ দেওয়া যাবে না। তেল নিয়ন্ত্রণকারী ফেইসওয়াশ বা টোনার ব্যবহার করে থাকলে ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা করতে হালকা তরল-ধর্মী ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন, এটা ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক হওয়া থেকে বাঁচাবে।

ভারী প্রসাধনী ব্যবহার: নিয়মিত ভারী মেইকআপ ব্যবহার বা ভারী ক্রিম ব্যবহার ত্বকের লোমকূপ আটকে দেয়। এতে তেল নিঃসরণ বেড়ে যায়। স্যালিসাইলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ফেইস ওয়াশ ও টোনার ব্যবহার ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। ত্বক খুব বেশি তৈলাক্ত হলে ও উন্মুক্ত লোমকূপের সমস্যা থাকলে রাতে অ্যাডাপেলেন বা অ্যাযেলেইক অ্যাসিড সমৃদ্ধ নাইট ক্রিম ব্যবহার করুন। এটা তেল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।

মানসিক চাপ: শরীরের তেল নিঃসরণের জন্য হরমোন দায়ী। গর্ভাবস্থা, মেনোপোজ বা কৈশরে হরমোন অনেক বেশি ওঠানামা করে। মানসিক চাপও এই মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং কর্টিসোলের সঙ্গে এক হয়ে ‘সিবাম’ ত্বকের তেল নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়।

Sharing is caring!