ক্রীড়া প্রতিদেক->>

২০১২ সালে প্রথম বারের মতো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচন করেন তাবিথ আউয়াল। সেবার জয়-ইকবালদের সঙ্গী হয়ে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন সাবেক এই ফুটবলার। ২০১৬ সালে বাফুফে নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নাম লেখান তাবিথ আউয়াল। স্বতন্ত্র নির্বাচন করে সহ-সভাপতি পদে জয়ী হয়ে চমক দেখিয়েছিলেন তিনি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়ে জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এবং টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন তাবিথ। এবারের নির্বাচনেও স্বতস্ত্র হিসেবে লড়াই করলেও বেশ হ্যাভিওয়েট প্রার্থী ছিলেন তিনি।

কিন্তু এবার অল্পের জন্য ভাগ্য ঝুলে গেছে তাবিথের। এবারের নির্বাচনে চতুর্থ সহ-সভাপতি হিসেবে মহিউদ্দিন মহির সঙ্গে সমান ভোট পেয়েছেন তিনি। দু’জনেই ৬৫টি করে ভোট পেয়েছেন।
তাই আগামী ৩১শে অক্টোবর চতুর্থ সহ-সভাপতি পদ নিয়ে আবারো ভোট অনুষ্ঠিত হবে। নিজের জায়গা ফিরে পেতে দ্বিতীয়বার লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত তাবিথ। আগের নির্বাচনে সালাউদ্দিনের প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন মহিউদ্দিন মহি। তাবিথ জিতে ছিলেন স্বতন্ত্র নির্বাচন করে।

এবারও তাবিথ স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করলেও মহি প্যানেল পাল্টিয়ে নির্বাচন করেন সমন্বয় পরিষদ থেকে। স্বতন্ত্র নির্বাচন করলেও কাজী মো. সালাউদ্দিনের প্যানেলের একজনকে হটিয়ে তাবিথ আবার জয়ী হবেন- এ ধরনের বাতাস ছিল ফুটবল অঙ্গনে। কাজী মো. সালাউদ্দিনের প্যানেলের সহ-সভাপতি প্রার্থী আমিরুল ইসলাম বাবু হেরেছেন। তবে অল্পের জন্য জিততে পারেননি তাবিথ। এ পদে ফের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

পুনরায় নির্বাচন নিয়ে তাবিথ বলেন, ‘আমি ৩১শে অক্টোবর ভোটের জন্য প্রস্তুত। আশা করি কাউন্সিলররা ভোট দিয়ে আমার গত চার বছরের কাজের মূল্যায়ন করবেন। ভোট হবে, তাই ভোটের জন্যই আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা দু’জনই একসঙ্গে কাজ করেছি। আমি মনে করি, এক্ষেত্রে কাউন্সিলররা কাজের মূল্যায়নই করবেন। নির্বাচনে যে ১৩৯ জন ভোটার আছেন তাদের সবার সমর্থনই চাই আমি।’

এবারই প্রথম বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে নাম লেখান বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান। প্রথমবার নির্বাচনের মঞ্চে এসেই ৮৯ ভোট পেয়ে আগামী চার বছরের জন্য প্রথম সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এ ছাড়া চতুর্থবার সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। ৮১ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন তিনি। ৭৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন আতাউর রহমান মানিক।

Sharing is caring!