শহর প্রতিনিধি->>

ফেনী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজ আহম্মদ চৌধুরীর নামাজে জানাযায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল নেমেছিল। দুটি জানাযায় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ছাড়াও দলমত নির্বিশেষে মুসল্লীরা অংশ নেন।
সোমবার বাদ আছর শহরের মিজান ময়দানে প্রথম জানাযায় কানায় কানায় ভরে যায় মাঠ। জানাযায় ইমামতি করেন স্টেশন রোড জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মনছুরুল হক।

জানাযাপূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন ফেনী সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রটোকল অফিসার ও ফেনী ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম, জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজজামান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী আবু দাউদ মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মরহুমের ছোট ছেলে জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আহমদ রিয়াদ আজীজ রাজিব।

জানাযায় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, জনপ্রতিনিধি, পদস্থ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মুসল্লী অংশ নেন। শেষে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এদিকে ফেনী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজ আহমেদ চৌধুরীর ২য় জানাজা তাঁর গ্রামের বাড়ি ফুলগাজীর হাসানপুরে অনুষ্ঠিত হয়। হাসানপুর চৌধুরী বাড়ীর প্রাঙ্গনে জানাযা পূর্বে বক্তব্য রাখেন তার ছোট ভাই আমির আহমেদ চৌধুরী রতন, পরশুরাম উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মজুমদার, ফুলগাজী উপজেলা সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল আলিম মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক ও আনন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হারুন মজুমদার, মরহুমের চাচাতো ভাই বিএনপি নেতা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী মিনার প্রমুখ। জানাযায় ইমামতি করেন দক্ষিণ আনন্দপুর মাইজগ্রাম জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল হুদা।

২য় জানাযা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে স্ত্রীর কবরের পাশে চির শয্যায় শায়িত হয় আজিজ আহমেদ চৌধুরী।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটের দিকে ফেনী ডায়াবেটিস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন বরেণ্য এ রাজনীতিক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ২ ছেলে ও ২ মেয়েসহ আত্মীয় স্বজন, অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখেন গেছেন।

Sharing is caring!