নিজস্ব প্রতিনিধি->>

ফেনীর শর্শদি লাশ দাফনে বাধা ও মামলার বিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রতিপক্ষ। সোমবার বিকালে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে আবু আহাম্মদ ও তার স্বজনরা। ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের মো. কামাল উদ্দিন সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে পৈত্রিক সম্পত্তি দখল ও জীবনের নিরাপত্তাহীনতার আশংকা প্রকাশ করে যে অভিযোগ তুলেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে মো. কামাল উদ্দিনের আনীত অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সম্পত্তি দখলের অভিযোগটি সঠিক নয়। তাদের পূর্বপুরুষরা ৪৫ বছর আগে আমাদের কাছে বসত ভিটাসহ সম্পূর্ণ সম্পত্তি বিক্রি করে ঢাকায় চলে যায়। এই ভূমির বৈধ দখলকারী হিসেবে জমির যাবতীয় দলিল ও কাগজপত্র আমাদের রয়েছে।

সম্মেলনে আবু আহাম্মদ জমি জবর দখলের অভিযোগের বিষয়ে বলেন, আমরা ১২০ শতক ভূমি জবর দখল করেছি মর্মে মো. কামাল উদ্দিন অভিযোগ করলেও মামলায় কামাল উদ্দিনগংরা ২৪ শতক ভূমির মালিকানা দাবী করেছে। তিনি বলেন, এটি মো. কামাল উদ্দিনের অপকৌশল। মামলায় জেতার সম্ভবনা না থাকায় আমাদের ঘায়েল করতে তারা অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে।

অন্যদিকে কামাল উদ্দিনের বোন হাজেরা বেগমের মৃতদেহ সৎকারে গ্রামে বাঁধা ও গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমরা কেউ জড়িত নই। কে বা কারা হামলা করেছে আমরা এ ব্যাপারে অবগত নই। এতে আমাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। সম্মেলনে তিনি একইদিন মো. কামাল উদ্দিনের আপন জেঠি অন্য এলাকায় মৃত্যুবরণ করলেও তাকে আমাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করতে দিয়েছি। আমরা তার বোনের লাশ দাফন করতে বাধা দেব কেন?

তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে সঞ্চিত ক্ষোভের বহি:প্রকাশ হিসেবে এসব মিথ্যা ঘটনা উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগের বিষয়ে আবু আহম্মদ বলেন সেটিও সম্পূর্ণ মিথ্যা। কামাল উদ্দিন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নন ও তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না বলেও দাবী করেন তিনি।

সম্মেলনে আরো তার ভাই মুক্তিযোদ্ধা সফিউল্লাহ, জেঠাতো ভাই আবদুল জলিল, ভাতিজা মোহাম্মদ উল্লাহ ও মোসলেহ উদ্দিন শামীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Sharing is caring!