ঢাকা অফিস->>

অভিনয়, নির্মাণ, আবৃত্তি, রাজনীতি সবক্ষেত্রেই বিচরণ জনপ্রিয় অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচীর। করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন ধরেই ঘরে অবস্থান করছেন তিনি। ক্যামেরার সামনে বা পেছনে দাঁড়াচ্ছেন না। তবে একেবারেই যে কাজ থেকে দূরে তাও কিন্তু নয়।

অনলাইন টক শো, মহিলা আওয়ামী লীগের ভার্চ্যুয়াল মিটিংসহ নানা কাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন রোকেয়া প্রাচী। প্রতিদিনই অনলাইনে কোনো না কোনো টক শোতে অংশ নিচ্ছেন। সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠান সঞ্চালনাও করছেন প্রাচী। বর্তমানে ঘরে বসে এসব কাজ করলেও কিছুদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রজেক্ট নিয়ে মাঠে নামবেন তিনি।

রোকেয়া প্রাচী বলেন, এ মুহূর্তে অনলাইনে কাজ করলেও কয়েকটি প্রজেক্ট নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। করোনার পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলেই কাজে নামবো। করোনাকালের ব্যস্ততা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরো সময়টা সন্তানদেরই দিয়েছি। এ ছাড়া বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কিছু অনলাইন টক শো হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত ও সঞ্চালনায় ছিলাম। শিল্পকলা একাডেমির কিছু ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানও সঞ্চালনা করেছি। এ ছাড়া প্রতিদিন দু’-তিনটা করে সিনেমা দেখেছি। অনলাইনে দলীয় কার্যক্রমে অংশ নিয়েছি। করোনায় পুরো পৃথিবীর চিত্রই বদলে গেছে। সে বদলে যাওয়ার ব্যাপারটি খুব ভালোভাবেই অনুধাবন করেছেন রোকেয়া প্রাচী।

তিনি বলেন, পুরো পৃথিবীর চিত্র অনেকখানিই বদলেছে। যেমন আমি আমার জায়গা থেকে সামর্থ্যানুযায়ী একেবারে নিভৃতে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। আবার যেসব জায়গায় মানুষের মানবিক হওয়া দরকার সেখানে তাদের দেখেছি অমানবিক আচরণ। দুর্নীতি থেকে শুরু করে এমন ছোট ছোট অনেক বিষয় দেখে খুব বিব্রতবোধ করেছি। এতদিন যে মানুষটাকে দেখে ভেবেছি খুবই কোমল ও নরম। তারাই দেখেছি অসচেতন ও অমানবিক। সেসব দেখে মনে হয়েছে আমরা মানুষকে কতটাই বা চিনি! করোনা সেসব মানুষদের চিনিয়েছে।

রোকেয়া প্রাচী বলেন, নিজেকে পরিমিতি বোধের মধ্যে রাখাও চ্যালেঞ্জ। আমার প্রচেষ্টা ছিল এই সময়ে আমি যেন পরিমিতি বোধের বাইরে না যাই। অনেককে দেখেছি আওয়াজ তুলে কাজ করতে। এটা বালখিল্য মনে হয়েছে।

Sharing is caring!