বিশেষ প্রতিনিধি->>

ফেনীতে করোনাভাইরাসে দুই স্বাস্থ্যকর্মীসহ নতুন করে আরো ১৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। নতুন ১৫ জনকে নিয়ে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮৬৭ জন। এর মধ্যে ১৭ জন মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ৫১৮ জন সুস্থ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. এস এস আর মাসুদ।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় নোয়াখালীর আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরীক্ষাগারে ১০৮টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এদের মধ্যে নতুন আক্রান্ত হয়েছে ১৫ জন। নতুন শনাক্তকৃতদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৭ জন, দাগনভূঞায় ২ জন, সোনাগাজীতে ২ জন, ছাগলনাইয়ায় ৩ জন ও পরশুরামে একজন শনাক্ত হযেছে। এদের মধ্যে সোনাগাজীতে একজন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছে। তিনি চরচন্দিয়া এলাকার কমিউনিটি হেলথ প্রোভাইডর। এছাড়া পরশুরামে একজন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। তিনি মির্জানগর ইউনিয়নে বাসিন্দা। ফেনীতে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাব টেকনেশিয়ান।

জেলায় ২ জুলাই পর্যন্ত ৫০৮৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৮১৬ জনের প্রতিবেদন পেয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এখনও নমুনা প্রতিবেদনের ফল অপেক্ষমান রয়েছে ২৭০ জন। বৃহস্পতিবার নতুন করে ৭৫ জনের নমনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

ফেনীতে শনাক্ত ৮৬৭ রোগীর মধ্যে ফেনী সদর উপজেলায় ৩৪৪ জন, দাগনভূঞায় ১৮৩ জন, সোনাগাজীতে ১৪২ জন, ছাগলনাইয়ায় ১০৯ জন, ফুলগাজীতে ৪১ জন, পরশুরামে ৩৬ জন ও ফেনীর বাইরের জেলার ১৩ জন রোগী রয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র আরো জানান, গত ১৬ এপ্রিল ফেনীতে প্রথম এক যুবকের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রামন শনাক্ত হয়। জেলায় শনাক্তের ৭৭তম দিনে এসে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি, সরকারী কর্মকর্তা, ব্যাংকার, প্রকৌশলীসহ ৮৬৭ জনের পজেটিভ রিপোর্ট পেয়েছে। আক্রান্ত ১৮ জন জেলার বাহিরে হওয়ায় তাদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে আক্রান্ত ৮ জন ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ও অপর আক্রান্তরা হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

Sharing is caring!