নিজস্ব প্রতিবেদক->>

বিএনপি জামায়তের ডাকা হরতাল অবরোধের নামে ফেনী শহরের ১৮নং ওয়ার্ডকে কেন্দ্র করে নাশকতা, ভাংচুরসহ সকল অপরাধমূলক কর্মসূচির বাস্তবায়ন করে আসছে সরকার বিরোধীরা। পাশাপাশি বড়বাজার, ইসলামপুর রোড, আবু বকর সড়ক, তাকিয়া বাড়ি ও ভূঁইয়া বাড়ি সড়ক দিয়ে দুর্বিত্তরা প্রধান সড়ককে নাশকতার লক্ষ্যে পরিণত করেছে। জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সভায় এসব তথ্য উঠে আসে।

বক্তারা আরো বলেন, নাশকতাকারীরা সড়কে গাছের গুড়ি ফেলে যান চলাচলে অবরোধ তৈরি করছে। এতে মানুষের জীবন যাত্রা স্থবির হয়ে আসছে। ভয়ে ব্যবসায়ীরা দোকানপাট না খুলায় বাজারে লোক সমাগম কম হচ্ছে। ফলে শহরে যান চলাচলও সীমিত হয়ে আসছে। এই সুযোগে দুস্কৃতিকারীরা বিভিন্ন পয়েন্টে নাশকতা চেষ্টায় উৎপেতে থাকে। এসব নাশকতাকারীদের অনেকে সোনাগাজী-দাগনভূঞা-ফুলগাজী-পরশুরাম-ছাগলনাইয়া থেকে আসা একাধিক মামলার আসামী। তারা সেখানে এসে বিভিন্ন বাসা বাড়িতে অবস্থান করছে। এসব দুস্কৃতিকারীকে আইনের আওতায় আনতে হলে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সতর্ক ও টহল জোরদার করতে হবে।

রোববার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় তারা আরও বলেন, পেট্রোল কিনে যানবাহনে বা সড়কে টায়ারে অগ্নিসংযোগ করতে না পারে সেজন্য পেট্রোল পাম্প মালিকদের সতর্ক করতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান তারা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মুছাম্মাৎ শাহীনা আক্তার।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাফিকুর রিদোয়ান আরমান শাকিলের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার জাকির হাসান, সিভিল সার্জন ডা. সিহাব উদ্দিন, ফেনী সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মোক্তার হোসেইন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট প্রিয় রঞ্জন দত্ত।

সভায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান একে শহীদ উল্লাহ খোন্দকার, স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ফেনী জেলার সভাপতি শুকদেব নাথ তপন, চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, ও সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি মো: গোলাম নবী, সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন বুলবুল, শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পারভেজুল ইসলাম হাজারীসহ সকল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।