নিজস্ব প্রতিনিধি->>
ফেনীর ধলিয়া ও সোনাগাজী উত্তর চরচান্দিয়ায় পৃথক অগ্নিকান্ডে ৯টি পরিবারের ১৩টি ঘর পুড়ে ভস্মিভূত হয়েছে।
ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে বুধবার মধ্যরাতে অগ্নিকান্ডে দুই পরিবারের ঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অগ্নিকান্ডে দুুই পরিবারের ঘর ও আসাবাবপত্র ছাড়াও নগদ এক লাখ ৮০ হাজার টাকা পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার সূত্র জানায়, বুধবার মধ্যরাতে ধলিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির তোফাজ্জেল হোসেনের বসত (টিনশেড) ঘরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহুর্তে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ততক্ষনে আগুনে বাড়ির তোফাজ্জেল হোসেনের বসত ঘর, পাশবর্তী বিবি আয়েশার ঘর ও হাঁস-মুরগিসহ সকল আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্থ তোফাজ্জেল হোসেন জানান, অগ্নিকান্ডে দুুই পরিবারের ঘর ও আসাবাবপত্র ছাড়াও নগদ এক লাখ ৮০ হাজার টাকা পুড়ে গেছে।
খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে নগদ অর্থ ও তৈজসপত্র প্রদান করেন উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান।

সোনাগাজীতে অগ্নিকান্ডে ৭টি পরিবারের ১১টি ঘর পুড়ে ভস্মিভূত হয়ে গেছে। সোনাগাজী পৌরসভার উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের রশিদ সওদাগরের বাড়িতে বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটেে। আগুনে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রন্থরা দাবি করেছে।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার জানায়, উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের রশিদ সওদাগরের বাড়ির আজিজ উল্যাহর ছেলে হেদায়েত উল্যাহর বসতঘরে বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহুর্তে আগুন আশপাশের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
এসময় হেদায়েত উল্যাহর বসত ও রান্নাঘর, তার সহোদর আমান উল্যাহর বসত ও রান্নাঘর, এমদাদ উল্যাহর বসত ও রান্নাঘর, সানা উল্যাহর বসতঘর, একই বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আবুল কালামের বসত ও রান্নাঘর, তার সহোদর আবুল খায়েরের বসত ও রান্নাঘর এবং একই বাড়ির ইব্রাহীমের বসত ও রান্নাঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে ফায়ার সার্ভিস দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে ৭টি পরিবারের ঘর, আসবাবপত্র ও নগদ টাকা পুড়ে প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
খবর পেয়ে পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার বিতরণ করেন। এসময় তিনি অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের নতুন ঘর নির্মাণ করে দেয়ার আশ্বাস দেন।

Sharing is caring!