শহর প্রতিনিধি->>

‘ভোটার হয়ে ভোট দেব, দেশ গড়ায় শপথ নেব’ প্রতিপাদ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে ফেনীতে পালিত হয়েছে জাতীয় ভোটার দিবস।

বেলুন উড়িয়ে ফেনী জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুজজমান উদ্বোধন করেন।

আজ সোমবার (২ মার্চ) সকাল ১১ টায় ফেনী জেলা নির্বাচন স্টেশনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুজজামান।

প্রধান প্রতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ভোট দিবেন কি দিবেন না তা নিজের বিষয়। আগে ভোটার হন, নিজেকে গণনায় অন্তর্ভুক্ত করুন।

মৃত ব্যক্তির ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মৃত ব্যক্তি ভোট দিয়েছে, জাল ভোট দিলে ভোট তো হবেই। জনপ্রতিনিধিদের উচিত কেউ মারা গেলে অবশ্যই নির্বাচন অফিসে অবহিত করা। তাহলে মৃত ব্যক্তি ভোট দিতে পারবেন না।

স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটা ডাটাবেজ থাকা জরুরী। কতজন বিদেশ রয়েছে, কতজন কোন্ পেশায় রয়েছে তা জানা থাকা দরকার। এটি জনপ্রতিনিধিদের খেয়াল রাখতে হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র ( এনআইডি) প্রত্যাশিদের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক বলেন, এনআইডি পেতে সুনির্দিষ্ট কাগজ ও সময় প্রয়োজন। ধৈর্য ধরতে হবে। যারা নতুন ভোটার তাদের নিজ থেকে আগ্রহী হয়ে এনআইডি প্রাপ্তির ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাছির..…জানান, পাসপোর্ট অফিস হতে নতুন নির্দেশনা এসেছে। ন্যাশনাল আইডি কার্ড অবশ্যই লাগবে। তাই যারা এনআইডি’র শর্ত পূরণ করতে পারছেন তারা দ্রুত নিজেদের কার্ড করে নিন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট আাকরামুজ্জমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বিকম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য অফিসার, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও বিভিন্ন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী।

এর আগে আজ সকাল ১০ টায় শহরের ট্রাংক রোডে শহীদ মিনার হতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি করা হয়। র‌্যালিটি ট্রাংক রোড হয়ে মিজান রোডে জেলা নির্বাচন স্টেশন সার্ভারে শেষ হয়। এতে জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোছাঃ সুমনী আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরীন আক্তার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, জেলা তথ্য অফিসার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, ফেনী পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুর রহমান, যুব রেড ক্রিসেন্ট সদস্যসহ বিভিন্ন পর্যায়ে দুই শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে।

Sharing is caring!