শহর প্রতিনিধি->>

ফেনীর ধলিয়ায় ইতালী প্রবাসী উপর হামলার ঘটনায় সৌদিয়া ব্রিকস মালিক গ্রেপ্তার মো. নুরুন্নবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাওনা টাকা চাওয়ায় ক্রেতাকে মারধরের মামলায় সোমবার দুপুরে ফেনী শহরের কুমিল্লা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্র জানায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে জাহিদুল আলম ইট আনতে সৌদিয়া ব্রিকসে এজহারুল হক খোন্দকারকে পাঠান। ব্রিকস কর্তৃপক্ষ ইট দিতে অস্বীকার করলে এজহারুল সেখানে ছুটে যান। এ সময় ব্রিকস মালিক নুরুন্নবী, আউয়াল ও ফিল্ড ম্যানেজার জামাল উদ্দিন বাবুল তাদের মাথায় লোহার রড় দিয়ে আঘাত করেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ব্রিকস শ্রমিকরা জড়ো হয়ে আজহারুলের পকেটে থাকা ৩ লাখ টাকা, জাহিদের পকেটে থাকা সাড়ে ৩ হাজার টাকা, ৫৭ হাজার টাকা মূল্যের দু’টি মোবাইল ফোন, ৩৪ হাজার টাকা মূল্যের দু’টি ঘড়ি ছিনিয়ে নিয়ে যান।
পরে আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার সময় জাহিদ ও আজহারুলকে মারধর করে মোটরসাইকেলটি রেখে দেয়। খবর পেয়ে ছনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান করিম উল্লাহ বিকম লোক পাঠিয়ে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেন।
হামলার ঘটনায় এজহারুল হক খোন্দকার বাদী হয়ে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় সোমবার দুপুরে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৭ অক্টোবর ৫০ হাজার ইট কিনতে সৌদিয়া ব্রিকস মালিক মো. নুরুন্নবী ও আবদুল আউয়ালকে অগ্রিম ৪ লাখ টাকা পরিশোধ করেন উত্তর ধলিয়া গ্রামের সামছুল হক খোন্দকারের ছেলে মো. এজাহারুল হক খোন্দকার। বিভিন্ন সময় ইট দেওয়ার কথা বলে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, নুরুন্নবী ও আউয়াল ইট দেওয়ার কথা বলে এভাবে অনেকের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে প্রতারণা করছেন। ইট না পেয়ে অগ্রিম দেয়া টাকা ফেরত চাইলে তারা পাওনাদারদের ওপর হামলা, এমনকি নানাভাবে হয়রানির হুমকি দেন।

Sharing is caring!