বিশেষ প্রতিনিধি->>
ফেনীর দাগনভূঞায় সড়ক দুর্ঘটনায় অন্ত:সত্তা নারীর অনাগত দুই জমজ সন্তানসহ ৩জন নিহত হয়েছে।শুক্রবার রাতে ফেনী-নোয়াখালি মহাসড়কের মুক্তার বাড়ির দরজায় সিএনজি ও প্রাইভেট কারের মুখামুখি সংর্ঘষে এ দুর্ঘটনা ঘটলেও আজ সকালে চট্টগ্রামে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। অন্ত:সত্তা ওই নারীর নাম ফরিদা ইয়াছমিন টুম্পা(২৪)।সে পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাছান গনিপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী সাইফুল ইসলাম ফোরকানের স্ত্রী।
এই ঘটনায় সিএনজি চালক মজিবুল হকও নিহত হয়।সে সেকান্তরপুর গ্রামের এবাদুল হকের ছেলে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ জানায়, ওই দিন রাতে হাছান গনিপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী সাইফুল ইসলাম ফোরকানের অন্ত:সত্তা স্ত্রী ফরিদা ইয়াছমিন টুম্পা তার বাবা ও মাকে নিয়ে দাগনভূঞা ন্যাশনাল হাসপাতাল থেকে ডাক্তার দেখিয়ে সিএনজিযোগে বাড়ি যাওয়ার পথে মহাসড়কের মুক্তার বাড়ির দরজায় পৌছালে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগামী একটি প্রাইভেট কার তাদের সিএনজিকে ধাক্কা দেয়।এতে সিএনজিটি উল্টে যায়।এসময় গুরুত্ব আহত হয় সিএনজি চালক মজিবুল হক ও যাত্রী ফরিদা ইয়াছমিন টুম্পা তার বাবা ও মা।পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে ফেনী সদর হাসপাতাল হয়ে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন হাসপাতাল ভর্তি করানো হয়।

টুম্পার দেবর মোবারক উল্যাহ লিটন জানায়, তার ভাবী ৮ মাসের অন্ত:সত্তা।আল্ট্রার রির্পোট অনুযায়ী মার্চের ৩০ তারিখ জমজ মেয়ে সন্তান ডেলিভারীর কথা ছিল।আজ সকালে ডাক্তার জানায় গর্ভের ওই দুই সন্তান মারা গেছে।একই সাথে চিকিত্সাধীন অবস্থায় সিএনজি চালকের ওমৃত্যু হয়েছে ।
দাগনভূঞা থানার ওসি আসলাম সিকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়,প্রাইভেট কারটি জব্দ করা হয়েছে।

Sharing is caring!