নিজস্ব প্রতিনিধি->>
ফেনীতে তিন দিনব্যাপী নাট্যোৎসবের শেষ দিনে ফেনী থিয়েটারের নাটক ‘‘ঘুনপোকা’’ মঞ্চস্থ হয়েছে। সোমবার বিকেলে শহরের ট্রাংক রোডের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে পথ নাটক ‘‘ঘুনপোকা’’ মঞ্চস্থ করে ফেনী থিয়েটারের নাট্য কর্মীরা।

এর আগে ফেনী থিয়েটার’র প্রধান সম্বনয়কারী কামরুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী পৌরসভার প্যানেল মেয়র আশ্রাফুল আলম গিটার।
নাট্যকর্মী তাহমিনা তোফা সীমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সংলাপ নাট্য সংসদের নারায়ন নাগ, সুবচন নাট্য সংসদের নাসির উদ্দিন সাইমুম, ফেনী থিয়েটার’র সাবেক প্রধান সম্বনয়কারী রাশেদ মাযহার, পুবালী সাংস্কৃতিক সংগঠনের সায়েম বিন করিম চৌধুরী।

ফেনী থিয়েটারর সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন রাজুর রচনা ও নির্দেশনায় ‘‘ঘুনপোকা’’ পথনাটকটি মঞ্চস্থ হয়। নাটকটিতে বর্তমান সমাজের চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রতিনিয়ত ধর্ষনের বলি হচ্ছে সব বয়সের নারী, মাদকের ভয়াল থাবায় নিমজ্জিত যুবসমাজ। সমাজের বহুরুপী মানুষগুলোর আচারণে হারিয়ে যাচ্ছে মানবকিতা।

নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে তাহমিনা তোফা সীমা, ফজলুল হক রনি, ফাতেমা জান্নাত শশী, শফিউল আলম শাহেদ, সাজ্জাতুল ইসলাম সানি, আবদুল্লাহ আল ফাহাদ, কাওসার আহমেদ তারেক ও অনিক। নাটক উপলক্ষে নাট্যকর্মী নাজমুল হক শামীমের সম্পাদনায় একটি স্মারক পত্র প্রকাশিত হয়।

এদিকে সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমীর মঞ্চে ট্টগ্রামের উচ্চারণ নাট্য সম্প্রদায় মঞ্চ নাটক ‘আর কতদিন’ মঞ্চস্থ হয়।
এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে তিন দিনের নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজজামান। উৎসবে চট্টগ্রামের দুইটি নাট্যদলের পশাপাশি ফেনী থিয়েটার ও ফেনীর পুবালি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নাটক পরিবেশন করে। ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের অঙ্গন থিয়েটার ইউনিটের মঞ্চনাটক ‘শেষ বিকেলের গল্প’, ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেনীর পুবালি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মঞ্চনাটক ‘বাসন’ মঞ্চস্থ হয়।

প্রসঙ্গত, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ‘জঙ্গি-অবক্ষয়-দূর্নীতি-মানবে না এ সংস্কৃতি’ প্রতিপাদ্যে গত ১২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করেন।বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটারের আয়োজনে ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সহযোগিতায় সারাদেশে এ উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে। এ নাট্যোৎসবে দেশের ৬৪ জেলায় বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনভূক্ত ৪ শতাধিক দলের ৩০ হাজার নাট্যকর্মী অংশ নেবে। উৎসবে ৩০২টি মঞ্চ ও পথ নাটক অনুষ্ঠিত হবে।

Sharing is caring!