নিজস্ব প্রতিবেদক->>
পরশুরামের বিলোনিয়া স্থলবন্দরসহ বিভিন্ন স্থলবন্দরে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধে থার্মাল স্ক্যানার ও পরীক্ষার কোনো আধুনিক যন্ত্রপাতি নেই। দেশের বিভিন্ন স্থল বন্দরে ইমিগ্রেশনে করোনা সতর্কতামূলক লিফলেট বিতরণ ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ফেনীর পরশুরামের বিলোনিয়া স্থলবন্দরে জাতীয় রোগতত্ত্ব ও রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং গবেষণা ইনস্টিটিউটের আওতায় যাত্রীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে নেই থার্মাল স্ক্যানারের কোনো ব্যবস্থা। এতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কায় স্থানীয়রা।

ফেনীর সিভিল সার্জন আবদুল মোমেন জানান, জাতীয় রোগতত্ত্ব ও রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং গবেষণা ইনস্টিটিউটের কার্যক্রমের আওতায় এ পথে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। স্থলবন্দর দিয়ে গমনকারী কোনো ব্যক্তির মধ্যে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া গেলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যবেক্ষণের জন্য রাখা হবে। এছাড়া পরবর্তীতে যেকোনো প্রয়োজনে প্রবেশকারীদের সবার যোগাযোগের নম্বর ও ঠিকানা সংরক্ষণ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।
এদিকে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে থার্মাল স্ক্যানার না থাকলেও প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
অপরদিকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে একজন স্বাস্থ্য কর্মী দিয়ে চলছে পরীক্ষা কার্যক্রম।

Sharing is caring!