বিশেষ প্রতিনিধি->>
কথায় আছে চোরের ১০ দিন,পুলিশের ১ দিন।
অবশেষে ধরা পড়ল ৪ ডাকাত সদস্য। ৩ জনের বাড়ী নোয়াখালী,১ জনের বাগেরহাট। থাকে ফেনী সদরের বিভিন্ন স্থানে। পেশা সিএন জি অটো রিক্সা ও টমটম চালানো। মূল কাজ পূর্ব থেকে রেকি করা টার্গেটের বাড়ীতে জানালার ফাঁক দিয়ে চেতনা নাশক স্প্রে দিয়ে অথবা সুকৌশলে রান্না ঘরে খাবারে চেতনানাশক ঔষুধ মিশিয়ে বাড়ীর সবাইকে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুন্ঠন করা।
আজ এক থানার এ বাড়ীতে তো, কয়েকদিন পর অন্য থানার অন্য বাড়ীতে। ধরাই যাচ্ছিলনা।
অজ্ঞান করে ডাকাতি করার এ চক্রকে ধরার জন্য ফেনীর পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী বিপিএম, পিপিএম’র, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) রবিউল হক’র তত্বাবধানে ওসি ডিবি রনজিত কুমার বড়ুয়ার নেতৃত্বে স্পেশাল দায়িত্ব দেওয়া এ চক্রকে ধরার জন্য।
২৯ জানুয়ারী রাত ২ টায় পূর্ব পরিকল্পনা মত ডাকাত সর্দার সালাম সর্দারের নেতৃত্বে আগেই রেকি করা ফেনী সদরের রুহিতিয়া সাকিনের নুরুল আলম স্বপন মজুমদারের বাড়ীতে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকার ১। মিন্টু (৪৮) ২। মোশারফ হোসেন (৪৫) ৩। আব্দুল (৪৮) এবং বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার ৪। সালাম শেখ (৪৭) দের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওসি ডিবি রনজিত কুমার বড়ুয়ার নেতৃত্বে ডিবি পরিদর্শক নুরুজ্জামান,পরিদর্শক শাহীন মিয়া, এসআই মহিউদ্দীন ও এস আই মোতাহার হোসেন পিপিএম সহ সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স কর্তৃক আটক করেন।

তাদের কাজ থেকে উদ্ধার করা হয় ২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ সহ ১ টি এলজি,৩ টা অত্যাধুনিক ছোরা, ১ সিএনজি অটো, ২০০ গ্রাম চেতনানাশক ঔষুধ, ২ টা টর্চ লাইট, ২ টি মুখোশ,২ টি তালা ও দরজা ভাঙ্গার রড, ২ টি স্ক্রু ড্রাইবার এবং ৩ মোবাইল ফোন।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় ডাকাতি করার সময় বাধা আসলে প্রতিহত করার জন্য তারা সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র রাখে।

ওসি ডিবি রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, ধৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে ফেনি সদর মডেল থানায় মামলা রজু করা হয়েছে।

Sharing is caring!