শহর প্রতিনিধি->>
ফেনীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে হুসিয়ারি ব্যক্ত করেছেন জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুজজামান। রবিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এমন কথা বলেন।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইজারার বাইরে বালুমহাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি আমার দৃষ্টিতে এসেছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বালুমহালগুলোতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার খোন্দকার নূরুন্নবী, সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াতুজ্জামান, ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিমল কান্তি পাল, বিজিবি-৪ ফেনী’র অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল কামরুজ্জামান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বিকম।
সভায় পরশুরাম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল মজুমদার, ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল, ফেনী পৌরসভার মেয়র হাজী আলাউদ্দিন, ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি পারভেজুল ইসলাম হাজারী, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী সলিম উল্লাহসহ বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পুলিশ সুপার বলেন, যারা বালুমহালের ইজারাদার, তারা বালু উত্তোলন করবেন। বালুমহালকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তার, মারামারি, খুনাখুনি কোনভাবেই সহ্য করা হবে না। এছাড়া নদীর গতিপথ যারা পরিবর্তন করবে, তাদের কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনা হবে।
জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখা সূত্রে জানা যায়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দের জন্য ফেনীর ৮টি বালুবহাল ইজারা প্রদানের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল জেলা প্রশাসন। এরমধ্যে ৭টি এক বছরের জন্য ইজারা দেয়া হয়েছে।

Sharing is caring!