ক্রীড়া প্রতিবেদক->>
ফেনীতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে ফেনী পিটিআই মাঠে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুজজামান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোছাঃ সুমনী আক্তার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নুরুল ইসলাম, পিটিআই ফেনীর সুপারিনটেনডেন্ট স্বপন কুমার দে, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন বাহার।

জেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহাম্মদের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নুরুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি বলেন, বিভাগীয় পর্যায়ে ১১টি জেলা খেলবে। তাদের মধ্যে ফেনী ছোট জেলা হলেও আমাদের অনেক ভালো খেলোয়াড় রয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে তারা ভালো খেলে যেন জেলার মুখ উজ্জ্বল করে সে ব্যাপারে সকলের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় ফেনীর ছেলেমেয়েরা ভালো করলে তাদের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কক্সবাজারে ভ্রমণের ব্যবস্থা করা হবে বলে ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুজজামান।
পরে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

এর আগে জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে যথাক্রমে ফেনী শহরের জিএ একাডেমী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পরশুরামের মির্জানগর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
টুর্নামেন্টের বঙ্গমাতা গোল্ডকাপে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছে ধলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাদিয়াতুল জান্নাত ও সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছে মির্জানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুমাইয়া সুলতানা, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে সেরা খেলোয়াড় হয়েছে সোনাগাজীর দাসের হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের আল মাহমুদ ও সর্বোচ্চ গোলদাতা ফেনী জিএ একাডেমীর ফখরুল ইসলাম মোহন।

এদিকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে ফুটবল চর্চা করার জন্য প্রত্যেক দলকে ২টি করে ফুটবল উপহার প্রদান করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ওয়াহিদুজজামান। এসময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, উপজেলা পর্যায়ের খেলা শেষে টূর্নামেন্টে জেলা পর্যায়ে ১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেয়েদের ৬টি ও ছেলেদের ৬টি দল অংশগ্রহণ করে। জেলা পর্যায়ের বিজিতরা বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।

Sharing is caring!