নিজস্ব প্রতিনিধি->>
কুমিল্লা বোর্ডের অধীন জুনিয়র সার্টিফিকেট পরীক্ষার (জেএসসি) ফলাফল বরাবরের মত এবারও ফেনীর স্কুল সমুহ ভাল ফলাফল করেছে। গত বছরের তুলনায় এবছর পাশের হার ও জিপিএ-৫ বেড়েছে। জেলার ২০০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ২৩টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাশ করেছে।
। ফেনী জেলায় এ বছর ২৪ হাজার ৯৩৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ২২ হাজার ৪৭৫ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭৬ জন। এ বছর বোর্ডের পাশের হার ৮৭.৯০ শতাংশ হলেও ফেনী জেলায় পাশের হার ৯০.১২ শতাংশ। গত বছর বোর্ডের পাশের হার ৮৫.৮৩ শতাংশ, ফেনীতে পাশের হার ছিল ৮৬.৯০। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯৬ জন।
জেলায় পাশের হারের দিক থেকে সোনাগাজী উপজেলা সবচেয়ে ভাল ফল করেছে। তিন হাজার ৯৪৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে তিন হাজার ৭৯৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৪ জন। পাশের হার ৯৬.২৭ শতাংশ। ফেনী সদর উপজেলায় ৯ হাজার ৭৪১ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে ৮ হাজার ৮৮৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২১ জন। পাশের হার শতকরা ৯১.২৫ ভাগ। ছাগলনাইয়া উপজেলায় দুই হাজার ৯৮০ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে দুই হাজার ৭৭০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন। পাশের হার শতকরা ৯২.৯৫ ভাগ। পরশুরাম উপজেলায় এক হাজার ৬৩৫ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে এক হাজার ৪৭৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন। পাশের হার শতকরা ৯০.২১ ভাগ। দাগনভূঁঞা উপজেলায় ৪ হাজার ৮২২ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে ৪ হাজার ৭৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫০ জন। পাশের হার শতকরা ৮৪.৫৫ ভাগ।
তুলনামলক খারাপ ফলাফল করেছে ফুলগাজী উপজেলায়। এক হাজার ৮১৮ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে এক হাজার ৪৬৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন। পাশের হার শতকরা ৮০.৭৫ ভাগ।
ফেনী গালর্স ক্যাডেট কলেজ থেকে এ বছর ৫৮ জন শিক্ষার্থী জেএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে সবাই পাশ করেছে।জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৩জন। ২০১৮ সালে ৫৭ জন পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৪৮ জন।
ফেনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৯৮ জন জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পাশ করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে জন ১০১জন। ২০১৮ সালে ২৯৯জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাশ করলেও জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬৬ জন।
ফেনী সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৩১৯জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৫ জন। পাশের হার শতকরা ৯৯.৬৯ শতাংশ। ২০১৮ সালে ৩৭৬ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে ৩৬৯জন। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৭জন। পাশের হার ছিল ৯৮ শতাংশ।
ফেনী গালর্স ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ গ্রুপ ক্যাপ্টেন মুনিম খান মজলিস বলেন, সকল ক্যাডেটের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় কঠোর পরিশ্রম, কলেজের শিক্ষক ও কর্মকর্তা অনুষদ সদস্যদের নিবিড় পর্যবেক্ষনে শিক্ষাদান এবং অভিভাবকদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরনা এ ফলাফল অর্জনে সহায়ক হয়েছে।
ফেনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত নাথ বিদ্যালয়ের এ ফলাফলে বেশী খুশী হয়েছেন। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের প্রচেষ্টায় পাশের হার ভাল হয়েছে ।

Sharing is caring!