শহর প্রতিনিধি->>

ফেনীতে পারিবারিক বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত দু’জন। রোববার রাতে শহরের পশ্চিম উকিল পাড়ায় এঘটনা ঘটে। ছেলের উপর হামলাকারীদের বিচার চেয়ে ফেইসবুক লাইভে আকুতি জানিয়েছেন বিএনপি নেত্রী জুলেখা আক্তার ডেইজী।

আহতরা হলো জেলা মহিলা দলের সভাপতি জুলেখা আক্তার ডেইজীর ছেলে মইনুল হোসেন ডরিন (২২) এবং ১৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য দোকান কর্মচারী আনোয়ার হোসেন (৪২)।

স্থানীয়রা জানায়, রোববর রাতে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য আনোয়ার হোসেনের ভাই ইমরান হোসেন এর সাথে কথা কাটাকাটি হয় স্থানীয় ডরিনের বাবা মনোয়ার হোসেন দুলালের। এক পর্যায়ে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে মনোয়ার হোসেন দুলাল এবং আনোয়ার হোসেনে’রা কথা কাটাকাটি থেকে মারামারিতে লিপ্ত হয়। মারামারির সময় ধারালো বস্তুর আঘাতে উভয় পক্ষের একজন করে আহত হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ফেনী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষ একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছে।

জেলা মহিলা দলের সভাপতি জুলেখা আক্তার ডেইজী জানায়, আনোয়ারের ভাই ইমরানসহ আরও সাত-আটজন তাদের বাসার পাশে একটি খালি জায়গায় মাদক সেবন করছিল। বিষয়টি দেখতে পেয়ে মনোয়ার হোসেন দুলাল তাদেরকে বাধা প্রদান করলে তারা বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হয় এবং তার ছেলেকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আহত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, কোন প্রকার কারণ ছাড়াই মোনোয়ার হোসেন দুলালের ছেলে ডরিন এবং তার সহযোগীরা পিছনের দরজা দিয়ে তাদের ঘরে ঢুকে তাকে এবং তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করে এরপর তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলে সেখানে মনোয়ার হোসেন দুলাল এবং তার ছেলেরা তার উপর হাসপাতালে ভিতরে হামলা করে। পরে হাসপাতাল পুলিশের হস্তক্ষেপে সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হয় মনোয়ার হোসেন দুলাল এবং তার ছেলে।

ফেনী পৌরসভার ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুর রহমান জানান, এমন ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক এবং ন্যক্কারজনক। ঘটনাটি তিনি শুনে উভয় পক্ষকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন।