দাগনভূঞা প্রতিনিধি->>
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ভেঙ্গে নতুন ভাবে আহবায়ক কমিটি করাকে কেন্দ্র করে বাজারস্থ বসুরহাট রোড়ে মাইজ্জাহুজুরের মাজার সংলগ্ন স্থানে বিএনপির দুই নেতার মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

Processed with MOLDIV


দলীয় সূত্র ও প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানান, আজ বুধবার দুপুর ১টার সময় দাগনভূঞা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান স্বপন এর সাথে জেলা যুবদলের সহ-পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবদুল মালেক মানিকের সাথে দাগনভূঞা বাজারস্থ বসুরহাট রোড়ে মাইজ্জাহুজুরের মাজার সংলগ্ন স্থানে আবদুল মালেক মানিকের সাথে উপজেলা বিএনপির আহব্বায়ক কমিটি বিষয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুইজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে উপস্থিত জনতা দুইজনকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে।

আব্দুল মালেক মানিক অভিযোগ করে বলেন, আমি আহবায়ক কমিটির গঠন করার ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক সাহাদাত হোসেন সাহাদাতকে কমিটির আহবায়ক করার জন্য দলীয় নেকা-কর্মীদের নিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি ও আমি নিজেই একজন যুগ্ন-আহব্বায়ক পদ প্রার্থী এতে করে আমার সিনিয়র সাইফুর রহমান স্বপন ভাই কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অর্তকিত ভাবে আমার জমার কলার চেপে ধরে এবং আমাকে লাঞ্ছিত করে।

এব্যাপারে পৌর বিএনপির সম্পাদক সাইফুর রহমান স্বপনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানিক আমাদের উপজেলা বিএনপির সভাপতি আকবর সাহেবের বিরুদ্ধে কাজ করতেছে।আমি তাকে দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ না করার অনুরোধ করি।এতে সে ক্ষিপ্ত হয়।তাই আমি তাকে ডেকে এনে শাসন করতে গেলে উপস্থিত লোকজন তাকে নিয়ে যায়।তবে এতে হাতিহাতি বা মারামারির কোন ঘটনা ঘটেনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, কাউকে শাসন করার ক্ষমতা দল দেয়নি। কেউ যদি নিজ ক্ষমতা বলে শাসন করে তাহলে সেটা দলের চোঁখে অপরাধী। আমরা আগামী ১২ তারিখ জেলা বিএনপির জরুরী সভায় বিষয়টি নিয়ে বসবো

Sharing is caring!