ছাগলনাইয়া প্রতিনিধি->>

ছাগলনাইয়ায় মোশারফ নামে এক যুবককে দিনদুপুরে অনেক লোকের সামনে মসজিদ থেকে তুলে নেওয়ার তিন দিন পরও মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ বলছে তারা কিছুই জানে না। এতে পরিবারটিতে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
ছাগলনাইয়া পৌরসভার মধ্যম মটুয়া রাজা মিয়া হাজি বাড়ির রুহুল আমিনের ছেলে মোশারফ গত রোববার জোহরের নামাজ শেষে মসজিদের বারান্দায় এলে থানার উপ-পরিদর্শক আলমগীর (১) সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে আসেন। মোশারফকে তুলে আনার সঙ্গে সঙ্গে তার পরিবারের লোকজন থানায় এলে তাদের থানায় ঠুকতে দেওয়া হয়নি। রাতে থানায় খোঁজ নিলে পুলিশ বলে মোশারফ নামে তারা কাউকে আটক করেনি।
রাত সাড়ে ১০টায় মোশারফের বাবা রুহুল আমিন কাস্টোডিতে গিয়ে অন্য আটকদের কাছে মোশারফের বিষয়ে জানতে চাইলে হাজতিরা জানায়, এই মাত্র মোশারফকে পুলিশ বের করে নিয়ে গেছে। ওই সময় তার পরিবার ওসিসহ ‘অভিযুক্ত এসআই’র সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা সাক্ষাৎ দেননি।
মোশারফকে তুলে আনার সময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অটোরিকশাচালকসহ প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বললে তারা জানায়, থানার উপ-পরিদর্শক আলমগীর (১) ওসি সাহেব কথা বলবেন বলে মোশারফকে তুলে নিয়ে যান। এ ব্যাপারে আলমগীরের সঙ্গে কথা বললে তিনি মোশারফকে আটকের কথা অস্বীকার করেন। ওসি মেজবাহ উদ্দিন আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনিও এ বিষয়ে জানেন না বলেও জানান।
ছাগলনাইয়া সার্কেলের এএসপি নিশান চাকমা জানান, তিনি মোশারফের আটকের বিষয়ে কিছুই জানেন না। এ ব্যাপারে ওসি তাকে কোন রকম অবহিত করেননি।
ফেনী জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার নুরুন্নবী জানান, মোশারফের নামে খুন, অস্ত্র, ডাকাতিসহ ২১টি মামলা রয়েছে। তাকে (মোশারফ) আমরা খুঁজছি। পাচ্ছি না। এসআই আলমগীর তাকে তার বাড়ির সামনের মসজিদ থেকে রোববার দুপুরে তুলে আনার বিষয়টি এসপিকে অবগত করলে ‘তিনি এ ব্যাপারে জেনে প্রতিবেদককে অবগত করবেন বলে জানান’।

সূত্র : দৈনিক সমকাল

Sharing is caring!