সংবাদ বিজ্ঞপ্তি->>

দাগনভূঞা উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর মডেল ইউপির বৈঠারপাড়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে নুরুল আমিনের দুটো কিডনি রোগে অসুস্থ্য হয়ে গত ৮ বছর ধরে রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন,ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ,ইব্রহিম মেডিকেল কলেজের নিফ্রোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা:ওয়াসিম মো:মহসিনউল হকের তত্ত্বাবধানে চিৎিকিসাধীন রয়েছেন। এরই মধ্যে চিকিৎসক জানিয়েছে তার দুটো কিডনিই অকেজ হয়ে গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্তত একটি কিডনি পুন:স্থাপন করতে না পারলে যে কোন মুহুর্তে নিভে যেতে পারে ৪৮ বছর বয়সী এ যুবকের জীবনের আলো।
এমন পরিস্থিতিতে স্বামীর জীবন বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি স্থানান্তর করতে চান অসুস্থ্য নুরুল আমিনের স্ত্রী খোদেজা আক্তার সুমি(৩৪)। কিন্তু চিকিৎসা ব্যয় আরও ১৫-২০ লাখ টাকা জোগাড় করতে না পারায় সমাজের বিত্ত্ববানদের সহায়তা চেয়েছেন।
নুরুল আমিনের স্ত্রী সুমি জানান, সহায়-সম্বল বিক্রি গত ৮বছর ধরে প্রায় ১২-১৫ লাখ টাকা ব্যয় করেও এখনও পর্যন্ত পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটির কিডনি সমস্য সামাধান করতে পারিনি। স্ত্রী খোদেজা আক্তার সুমি ৫ম শ্রেণিতে পড়ুয়া বড় মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস মিশু (১১) ও ২য় শ্রেণিতে পড়ুয়া জান্নাতুল মাওয়াকে (৮) নিয়ে নানা কষ্টে দিনাতিপাত করলেও সন্তানদের মুখের দিকে চেয়ে স্বামীর জীবন বাাঁচাতে বিকল্প না থাকায় নিজেই একটি কিডনি দান করতে চেয়েছেন। একই সাথে সমাজের বিত্ত্ববান, প্রবাসী ও পরোপকারী মানুষদের সাহায্যের প্রত্যাশা করছেন এ অসহায় নারী।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মফিজুর রহমান জানান, জিবীকার সন্ধ্যানে নুরুল আমিন ১৯৯১ সালে পাড়ি জমান মধ্যপাচ্যের ওমানে। এরপর ২০০৮ সালে পাড়ি দেন সৌদি আরবে।সেখানে কয়েক বছর থাকার পর অসুস্থ্য হয়ে দেশে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে নানা পরীক্ষা-নিরিক্ষা শেষে জানতে পারেন তার কিডনিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এরপর ২০১২ সালে ভর্তি হন ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালে। সেই থেকে অদ্যবধি চিকিসা খরচ চালাতে গিয়ে এখন অনেকটা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এঅবস্থায় সমাজের বিত্ত্ববানরা এ অসুস্থ্য মানাুষটির জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসার অনুরোধ করেছেন প্রয়োজন।
নুরুল আমিনের চিকিৎসার জন্য সাহায্য পাঠাতে ০১৮১৭৫০২২৯৬ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারবের। তার রকেট নাম্বার গ১৮৭৪৫৩০০৮৮-৩ বিকাশ/নগদ নাম্বার -০১৮৭৪৫৩০০৮৮, ব্যাংক হিসাব নাম্বার ডাচ বাংলা ব্যাংক লিঃ ফেনী শাখা ৭০১৭৫১৬৬৩৮৩৯০।

Sharing is caring!