বিশেষ প্রতিনিধি; ৩১ অক্টোবর–>>

পদ্ধতি আধুনিকায়নের ফলে ফেনীর বিআরটিএ অফিসে অনিয়ম, দুর্নীতি আর দালালদের দৌরাত্ম এখন অনেকটাই কমে এসেছে। আর গ্রাহকরাও অফিসে কাজ করতে এসে স্বাচ্ছন্দ বোধ করছেন। কর্তৃপক্ষের দাবি গ্রাহক দুর্ভোগ আরও কমবে।

দিনভর গোপন অপেক্ষা শেষে ফেনীর বিআরটিএ অফিসে দেখা মিলে এই দালালের। অথচ এক সময় এখানে গ্রাহকদের চেয়েও এমন দালালদের সংখ্যাই ছিল বেশী। তখন  হাতে কলমে বিভিন্ন ফরম পূরণ, পোস্ট অফিসে ফি জমাসহ নানা ঝক্কি ঝামেলা এড়াতে গ্রাহকদের পড়তে হতো দালালদের খপ্পরে।

২০১১ সাল থেকে মটরযানের রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফিকেট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পদ্ধতিতে আধুনিকায়নের কারণে কমে আসে গ্রাহকদের দুর্ভোগ। তবে অশিক্ষিত গ্রাহকদের জন্য এখনও অনেকে আঁকড়ে আছেন দালাল পেশা।

ফেনীর বিআরটিএ’র এই কর্মকর্তা অকপটে স্বীকার করলনে, এখনও আধুনিকায়নের জটিল ফরম পূরণের জন্য গ্রাহকদের অনেককেই নির্ভর করতে হয় দালালদের ওপর। তবে এই নির্ভরতাও বেশী দিন থাকবেনা বলে জানান তিনি

ফেনী সার্কেলের বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক প্রকৌশলী মুহাম্মদ নুর হোসেন বলেন, ‘ডিজিটাল পদ্ধতি পুরোপুরি ভাবে চালু হলে দালালদের দৌরাত্ম বন্ধ হয়ে যাবে বলে আমি মনি করি।’
                      
ফেনীর বিআরটিএ অফিসের হিসেব মতে, এখানকার রেজিস্ট্রেশনকৃত মটরযানের সংখ্যা সাড়ে ২১ হাজার হলেও ড্রাইভিং লাইসেন্সের সংখ্যা মাত্র সাড়ে ৪ হাজার।

Sharing is caring!